ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৯৫০০ ইয়াবা, ১৩৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিশাল মাদকের চালানসহ তিন কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভুলতা ইউনিয়নের লাভরাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, ১৩৫ কেজি গাঁজা এবং বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

যেভাবে পরিচালিত হলো অভিযান

রূপগঞ্জ আর্মি ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আর্মি ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল ভুলতা-মুড়াপাড়া সড়কের লাভরাপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে একটি পুকুর সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা মাদকের এই বিশাল মজুদ উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালীন মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন: ১. তানজিল (২৮), পিতা: আমানুল্লাহ। ২. রেদোয়ান (২৩), পিতা: রোকন। ৩. রিফাত (১৮), পিতা: হেলালউদ্দিন।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে মেজর শরীফুল ইসলাম

দুপুরে রূপগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রূপগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর শরীফুল ইসলাম বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকায় কোনো ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ কিংবা মাদকের তথ্য থাকলে নিকটস্থ আর্মি ক্যাম্পে যোগাযোগ করার জন্য। তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিপুল পরিমাণ এই মাদক জব্দের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে: আবদুল আউয়াল মিন্টু

রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৯৫০০ ইয়াবা, ১৩৫ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশ : ০৭:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিশাল মাদকের চালানসহ তিন কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভুলতা ইউনিয়নের লাভরাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, ১৩৫ কেজি গাঁজা এবং বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

যেভাবে পরিচালিত হলো অভিযান

রূপগঞ্জ আর্মি ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আর্মি ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল ভুলতা-মুড়াপাড়া সড়কের লাভরাপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে একটি পুকুর সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা মাদকের এই বিশাল মজুদ উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালীন মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন: ১. তানজিল (২৮), পিতা: আমানুল্লাহ। ২. রেদোয়ান (২৩), পিতা: রোকন। ৩. রিফাত (১৮), পিতা: হেলালউদ্দিন।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে মেজর শরীফুল ইসলাম

দুপুরে রূপগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রূপগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর শরীফুল ইসলাম বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকায় কোনো ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ কিংবা মাদকের তথ্য থাকলে নিকটস্থ আর্মি ক্যাম্পে যোগাযোগ করার জন্য। তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিপুল পরিমাণ এই মাদক জব্দের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।