ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এলাকা ভিত্তিক সামাজিক সোসাইটির মাধ্যমে উন্নয়ন ও মাদক-সন্ত্রাস নির্মূলের ঘোষণা ড. এম এ কাইয়ুমের

পূর্ব বাড্ডার আলিনগর সোসাইটির উদ্যোগে শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের এক বৃহৎ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শতশত স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গাকে এলাকা ভিত্তিক সামাজিক সোসাইটির আওতায় আনা হবে। এসব সামাজিক সোসাইটির মাধ্যমেই এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে এবং মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে গড়ে তোলা হবে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ।

তিনি বলেন, “ঢাকা-১১ আসনে আর কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা মাদক ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এসব অপকর্মে জড়াতে চায়, তাহলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করা হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মীরা একের পর এক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবুও নীতিগতভাবে দল থেকে কেউ সরে যাননি।
তিনি বলেন, “অনেক অত্যাচার সহ্য করেছি, কিন্তু জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি কখনো আপস করেনি।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অল্প বয়সেই তিনি কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং সেই সময় থেকেই এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। “লিংক রোড নির্মাণ, এলাকার রাস্তা উন্নয়ন, পানি ও গ্যাস সংযোগসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে আমি সরাসরি যুক্ত ছিলাম। আমি আপনাদের সন্তান—আগেও আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো,”—বলেন তিনি।

পথসভায় তিনি আরও বলেন, ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

শেষে তিনি এলাকাবাসী ও সারাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনাদেরসহ সারাদেশের মা-বাবা ও ভোটারদের কাছে আমার আবেদন—ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে এবং বিএনপির সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করুন। এতে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে আমরা একধাপ এগিয়ে যাব।”

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এ জি এম শামসুল হক, বাড্ডা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী হোসেন, বাড্ডা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেম্বার এম এ বাশার, সিরাজ মিয়া স্কুল নির্বাচনী কেন্দ্রের প্রধান কাজী আনোয়ার হোসেন মিন্টু, বাড্ডা থানা বিএনপির নির্বাহী সদস্য ইমাজ উদ্দিন ইমান, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দীপক কুমার টাইগার, আলিনগর সোসাইটির সভাপতি মোবারক হোসেন ফকির, সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন টিটুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

পথসভা শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ড. এম এ কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় থাকায় তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। সামাজিক সোসাইটির মাধ্যমে উন্নয়ন ও অপরাধ দমনের ঘোষণায় তারা আশাবাদী বলে জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ব্রিটিশ বাংলাদেশি আবু মিরনের লড়াই

এলাকা ভিত্তিক সামাজিক সোসাইটির মাধ্যমে উন্নয়ন ও মাদক-সন্ত্রাস নির্মূলের ঘোষণা ড. এম এ কাইয়ুমের

প্রকাশ : ০৭:৫৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পূর্ব বাড্ডার আলিনগর সোসাইটির উদ্যোগে শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের এক বৃহৎ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শতশত স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গাকে এলাকা ভিত্তিক সামাজিক সোসাইটির আওতায় আনা হবে। এসব সামাজিক সোসাইটির মাধ্যমেই এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে এবং মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে গড়ে তোলা হবে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ।

তিনি বলেন, “ঢাকা-১১ আসনে আর কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা মাদক ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এসব অপকর্মে জড়াতে চায়, তাহলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করা হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মীরা একের পর এক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবুও নীতিগতভাবে দল থেকে কেউ সরে যাননি।
তিনি বলেন, “অনেক অত্যাচার সহ্য করেছি, কিন্তু জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি কখনো আপস করেনি।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অল্প বয়সেই তিনি কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং সেই সময় থেকেই এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। “লিংক রোড নির্মাণ, এলাকার রাস্তা উন্নয়ন, পানি ও গ্যাস সংযোগসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে আমি সরাসরি যুক্ত ছিলাম। আমি আপনাদের সন্তান—আগেও আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো,”—বলেন তিনি।

পথসভায় তিনি আরও বলেন, ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

শেষে তিনি এলাকাবাসী ও সারাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনাদেরসহ সারাদেশের মা-বাবা ও ভোটারদের কাছে আমার আবেদন—ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে এবং বিএনপির সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করুন। এতে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে আমরা একধাপ এগিয়ে যাব।”

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এ জি এম শামসুল হক, বাড্ডা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী হোসেন, বাড্ডা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেম্বার এম এ বাশার, সিরাজ মিয়া স্কুল নির্বাচনী কেন্দ্রের প্রধান কাজী আনোয়ার হোসেন মিন্টু, বাড্ডা থানা বিএনপির নির্বাহী সদস্য ইমাজ উদ্দিন ইমান, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দীপক কুমার টাইগার, আলিনগর সোসাইটির সভাপতি মোবারক হোসেন ফকির, সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন টিটুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

পথসভা শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ড. এম এ কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় থাকায় তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। সামাজিক সোসাইটির মাধ্যমে উন্নয়ন ও অপরাধ দমনের ঘোষণায় তারা আশাবাদী বলে জানান।