ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ভারমন্টে স্থানীয় সময় সকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায়) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে অঙ্গরাজ্যটির অন্তত ৩০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন। এক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের আরও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। এর মধ্যে রয়েছে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ভার্জিনিয়া ও মেইন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরের যাত্রার মাঝপথে ৩ নভেম্বর হচ্ছে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন। এতে দেশটির আইনসভা ‘কংগ্রেস’র নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবগুলোতেই ভোট হবে। আর উচ্চকক্ষ সেনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ভোট হবে ৩৫টিতে।

এর মধ্যে ৩৩টি নিয়মিত নির্বাচন এবং ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে দুটি ‘বিশেষ নির্বাচন’। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ছেড়ে যাওয়া আসন পূরণে হচ্ছে এ ‘বিশেষ নির্বাচন’। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১ আসন। সমান সমান হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভোট দেবেন। সেক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে রিপাবলিকানরা।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের মূল্য উদ্দেশ্য—কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব নতুন করে নির্ধারণ করা। এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক। কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তার ওপর নির্ভর করে প্রেসিডেন্টের খবরদারির সুযোগ।

এ কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে অনেক সময় ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের কাজের মূল্যায়ন বা তার প্রতি ভোটারদের সমর্থন যাচাইয়ের নির্বাচন হিসেবেও দেখা হয়। অতীতের নির্বাচনগুলোতেও প্রেসিডেন্টের দলের জন্য এ ভোট কঠিন হয়ে উঠেছে।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টড বেল্টের তথ্যের বরাতে আল জাজিরা লিখেছে, ১৯৪৬ সালের পর থেকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি পরিষদে গড়ে ২৬ দশমিক ৫টি আসন হারিয়েছে। তবে এই নির্বাচনে কেবল প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা নয়; অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, অভিবাসননীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়ও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক দলের মোটরসাইকেল শোডাউন

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট শুরু

প্রকাশ : ০৫:২৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ভারমন্টে স্থানীয় সময় সকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায়) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে অঙ্গরাজ্যটির অন্তত ৩০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন। এক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের আরও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। এর মধ্যে রয়েছে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ভার্জিনিয়া ও মেইন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরের যাত্রার মাঝপথে ৩ নভেম্বর হচ্ছে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন। এতে দেশটির আইনসভা ‘কংগ্রেস’র নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবগুলোতেই ভোট হবে। আর উচ্চকক্ষ সেনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ভোট হবে ৩৫টিতে।

এর মধ্যে ৩৩টি নিয়মিত নির্বাচন এবং ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে দুটি ‘বিশেষ নির্বাচন’। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ছেড়ে যাওয়া আসন পূরণে হচ্ছে এ ‘বিশেষ নির্বাচন’। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১ আসন। সমান সমান হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভোট দেবেন। সেক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে রিপাবলিকানরা।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের মূল্য উদ্দেশ্য—কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব নতুন করে নির্ধারণ করা। এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক। কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তার ওপর নির্ভর করে প্রেসিডেন্টের খবরদারির সুযোগ।

এ কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে অনেক সময় ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের কাজের মূল্যায়ন বা তার প্রতি ভোটারদের সমর্থন যাচাইয়ের নির্বাচন হিসেবেও দেখা হয়। অতীতের নির্বাচনগুলোতেও প্রেসিডেন্টের দলের জন্য এ ভোট কঠিন হয়ে উঠেছে।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টড বেল্টের তথ্যের বরাতে আল জাজিরা লিখেছে, ১৯৪৬ সালের পর থেকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি পরিষদে গড়ে ২৬ দশমিক ৫টি আসন হারিয়েছে। তবে এই নির্বাচনে কেবল প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা নয়; অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, অভিবাসননীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়ও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।