রাজধানীর উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে নারী ও শিশুদের বিজ্ঞানসম্মত কোরআন শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশেষ একাডেমিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে নারী ও শিশুদের কোরআন শিক্ষার সুযোগ, পদ্ধতি ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) উত্তরা ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে “The Need for Scientific Qur’anic Learning Among Women and Children: A Bangladesh Perspective” শীর্ষক এ বিশেষ একাডেমিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
সেশনে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সহধর্মিণী, সাফির উল কুরআন ইনস্টিটিউটের কোরআনিক ল্যাঙ্গুয়েজ শিক্ষিকা এবং নেসা জামান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মিসেস রাজিয়া সুলতানা।
আলোচনায় বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের কোরআন শিক্ষার বর্তমান চাহিদা, শিক্ষাদানের কার্যকর পদ্ধতি এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোরআন শিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
প্রধান আলোচক রাজিয়া সুলতানা বলেন, নারী ও শিশুদের কোরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে শুধু মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে কোরআনের ভাষা, অর্থ ও তাৎপর্য অনুধাবনের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। শিশুদের বয়স ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে কোরআন শিক্ষা দেওয়া গেলে তাদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও কার্যকরভাবে গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, একটি পরিবারের নৈতিক ও মূল্যবোধভিত্তিক ভিত্তি তৈরিতে নারীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই নারীদের কোরআন শিক্ষা ও কোরআনের জ্ঞানচর্চার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের জন্যও উপযোগী ও আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
একাডেমিক সেশনে কোরআন শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সমন্বয়, নারী ও শিশুদের জন্য সহজলভ্য শিক্ষার পরিবেশ তৈরি এবং পরিবার ও সমাজে কোরআনের নৈতিক শিক্ষার ইতিবাচক প্রভাব নিয়েও আলোচনা করা হয়।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সেশনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা অংশ নেন। বক্তৃতা ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে নারী ও শিশুদের কোরআন শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
হাফিজুর রহমান 



















