ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিএইচপিতে নিরাপত্তা ত্রুটি: বন্ধ ডিজিটাল ভূমি সেবা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ ৭ ওয়েবসাইট

ওয়েবসাইট তৈরির অন্যতম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে মারাত্মক নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সম্ভাব্য সাইবার হামলা এড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভূমি সেবাসহ দেশের ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। নিজেদের প্রযুক্তি অবকাঠামোর নিরাপত্তা যাচাই এবং সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর অংশ হিসেবে এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকেও এসব ওয়েবসাইট বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, সাইবার হামলার শঙ্কায় গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে নিজেদের ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপের পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আরও ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়।

ব্যাংকগুলো হলো:- অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক, এসবিএসি ব্যাংক এবং বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রযুক্তি অবকাঠামোর সার্বিক নিরাপত্তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরই ওয়েবসাইটগুলো পুনরায় গ্রাহকদের জন্য চালু করা হবে।

একই কারণে ভূমি মন্ত্রণালয়ও তাদের ডিজিটাল ভূমি সেবার ওয়েবসাইট বন্ধ রেখে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত টানা ৩৬ ঘণ্টা এই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলার কথা। ফলে এই নির্দিষ্ট সময়ে ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে ডিজিটাল ভূমি সেবা নিতে পারছেন না নাগরিকেরা।

এর আগে, গত ২২ অক্টোবর সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্ট পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে। সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে তাদের সার্ভারে পিএইচপির ব্যবহার শনাক্ত করা, ব্যবহৃত সংস্করণগুলো ঝুঁকিপূর্ণ কি না তা যাচাই করা এবং অবিলম্বে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়।

উল্লেখ্য, পিএইচপি দিয়ে তৈরি সফটওয়্যার বা সার্ভারে নিরাপত্তা ত্রুটি থাকলে তা হ্যাকারদের জন্য অনুপ্রবেশের পথ তৈরি করে, যা পুরো সিস্টেমকে বড় ধরনের সাইবার ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর

পিএইচপিতে নিরাপত্তা ত্রুটি: বন্ধ ডিজিটাল ভূমি সেবা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ ৭ ওয়েবসাইট

প্রকাশ : ০৪:২৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ওয়েবসাইট তৈরির অন্যতম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে মারাত্মক নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সম্ভাব্য সাইবার হামলা এড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভূমি সেবাসহ দেশের ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। নিজেদের প্রযুক্তি অবকাঠামোর নিরাপত্তা যাচাই এবং সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর অংশ হিসেবে এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকেও এসব ওয়েবসাইট বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, সাইবার হামলার শঙ্কায় গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে নিজেদের ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপের পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আরও ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়।

ব্যাংকগুলো হলো:- অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক, এসবিএসি ব্যাংক এবং বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রযুক্তি অবকাঠামোর সার্বিক নিরাপত্তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরই ওয়েবসাইটগুলো পুনরায় গ্রাহকদের জন্য চালু করা হবে।

একই কারণে ভূমি মন্ত্রণালয়ও তাদের ডিজিটাল ভূমি সেবার ওয়েবসাইট বন্ধ রেখে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত টানা ৩৬ ঘণ্টা এই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলার কথা। ফলে এই নির্দিষ্ট সময়ে ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে ডিজিটাল ভূমি সেবা নিতে পারছেন না নাগরিকেরা।

এর আগে, গত ২২ অক্টোবর সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্ট পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে। সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে তাদের সার্ভারে পিএইচপির ব্যবহার শনাক্ত করা, ব্যবহৃত সংস্করণগুলো ঝুঁকিপূর্ণ কি না তা যাচাই করা এবং অবিলম্বে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়।

উল্লেখ্য, পিএইচপি দিয়ে তৈরি সফটওয়্যার বা সার্ভারে নিরাপত্তা ত্রুটি থাকলে তা হ্যাকারদের জন্য অনুপ্রবেশের পথ তৈরি করে, যা পুরো সিস্টেমকে বড় ধরনের সাইবার ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।