ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করলো সরকার

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ মার্চ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।

তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

এ ছাড়া প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এ অর্থ থেকে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্যও ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি প্রতিটি খ্রিস্টান চার্চের জন্যও ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে, যেখানে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

তিনি আরও জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুইবার বোনাস দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট উপাসনালয়ের কর্মরতদের জন্য ২ হাজার টাকা করে বোনাস নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে যেসব মসজিদ সরকারি কিংবা দেশি-বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে।

ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সম্মানীর অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ সুবিধা চালু করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা: রমনা থানা বিএনপি সভাপতিকে শোকজ

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী নির্ধারণ করলো সরকার

প্রকাশ : ০৮:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ মার্চ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।

তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

এ ছাড়া প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এ অর্থ থেকে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্যও ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি প্রতিটি খ্রিস্টান চার্চের জন্যও ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে, যেখানে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

তিনি আরও জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুইবার বোনাস দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট উপাসনালয়ের কর্মরতদের জন্য ২ হাজার টাকা করে বোনাস নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে যেসব মসজিদ সরকারি কিংবা দেশি-বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে।

ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সম্মানীর অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ সুবিধা চালু করা হবে।