ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সংগঠনের নেতৃত্বে ডা. রশিদ ও ডা. সারোয়ার

অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটিজ অব অস্ট্রেলিয়ার (এফবিএমএসএ) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে নিউ সাউথ ওয়েলসের চিকিৎসক ডা. রশিদ আহমেদ সভাপতি এবং কুইন্সল্যান্ডের ডা. গোলাম সারোয়ার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। ডা. গোলাম সারোয়ার নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকনের ছোট ভাই।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর সিডনিতে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা, বার্ষিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম-২০২৬-এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন পরিচালনা করেন সংগঠনটির নির্বাচন কমিশনার ডা. মো. ওয়াজিদ।

নতুন কমিটিতে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডা. মোহাম্মদ শহীদ রাজু। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভিক্টোরিয়ার ডা. মাহফুজ চৌধুরী। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন তাসমানিয়ার ডা. মো. লুৎফর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডা. ফারহানা রওশন খান।

এ ছাড়া শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরির ডা. সাতিলা জাফরিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ চৌধুরী এবং প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে ভিক্টোরিয়ার ডা. আশরাফ উল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরির ডা. ময়েজুর রহমান ও ডা. সাইদুল ইসলাম; নিউ সাউথ ওয়েলসের ডা. নাজমুন নাহার, এ/প্রফেসর রেজা আলী ও ডা. মিহির রায়; নর্দার্ন টেরিটরির ডা. মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন আহমেদ ও ডা. তাশফীন আহমেদ ভূঁইয়া; কুইন্সল্যান্ডের ডা. মোহাম্মদ ইসলাম ও ডা. মাজহার হক; সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ডা. মোহাম্মাদ আহমেদুল্লাহ ও ডা. ফাতিমা মুসরাত; তাসমানিয়ার ডা. আহমেদ তানভীর তাহের; ভিক্টোরিয়ার ডা. মোহাম্মদ মাইনুল হাসান এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডা. জান্নাতুল তাজরিন। সংগঠনটির সদ্য সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ডা. মোশাররফ হোসেন খান।

দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসক

এফবিএমএসএ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য ও টেরিটোরিতে কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সংগঠনগুলোকে একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ছয়টি রাজ্য ও দুটি টেরিটোরিতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসক বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের অনেকে হাসপাতাল, জেনারেল প্র্যাকটিস, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন কমিটির মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক যোগাযোগ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া চিকিৎসকদের দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কাজের সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া, পেশাগত নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলা, মেন্টরশিপ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার মাধ্যমে সহযোগিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নতুন প্রজন্মের চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে তাঁদের সহায়তা করাও নতুন কমিটির অন্যতম লক্ষ্য।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পরিকল্পনা

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণেও কাজ করতে চায় এফবিএমএসএ। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, জেনারেল প্র্যাকটিস, চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবার কারিগরি বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দুই দেশের চিকিৎসক, পেশাজীবী সংগঠন ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলাও গুরুত্বপূর্ণ।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বৈজ্ঞানিক সম্মেলন, সিম্পোজিয়াম, শিক্ষা কার্যক্রম এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের মধ্যে যোগাযোগ ও জ্ঞান বিনিময় বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতার সংযোগ আরও সুদৃঢ় করতে চায় সংগঠনটি।

নতুন কমিটি এসব উদ্যোগকে আরও সুসংগঠিত করে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি চিকিৎসক সমাজ এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে পথে পথে তারেক রহমানকে স্বাগত, কাঁচপুরে দিপু ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের ঢল

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সংগঠনের নেতৃত্বে ডা. রশিদ ও ডা. সারোয়ার

প্রকাশ : ০৪:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটিজ অব অস্ট্রেলিয়ার (এফবিএমএসএ) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে নিউ সাউথ ওয়েলসের চিকিৎসক ডা. রশিদ আহমেদ সভাপতি এবং কুইন্সল্যান্ডের ডা. গোলাম সারোয়ার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। ডা. গোলাম সারোয়ার নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকনের ছোট ভাই।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর সিডনিতে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা, বার্ষিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম-২০২৬-এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন পরিচালনা করেন সংগঠনটির নির্বাচন কমিশনার ডা. মো. ওয়াজিদ।

নতুন কমিটিতে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডা. মোহাম্মদ শহীদ রাজু। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভিক্টোরিয়ার ডা. মাহফুজ চৌধুরী। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন তাসমানিয়ার ডা. মো. লুৎফর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডা. ফারহানা রওশন খান।

এ ছাড়া শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরির ডা. সাতিলা জাফরিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ চৌধুরী এবং প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে ভিক্টোরিয়ার ডা. আশরাফ উল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরির ডা. ময়েজুর রহমান ও ডা. সাইদুল ইসলাম; নিউ সাউথ ওয়েলসের ডা. নাজমুন নাহার, এ/প্রফেসর রেজা আলী ও ডা. মিহির রায়; নর্দার্ন টেরিটরির ডা. মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন আহমেদ ও ডা. তাশফীন আহমেদ ভূঁইয়া; কুইন্সল্যান্ডের ডা. মোহাম্মদ ইসলাম ও ডা. মাজহার হক; সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ডা. মোহাম্মাদ আহমেদুল্লাহ ও ডা. ফাতিমা মুসরাত; তাসমানিয়ার ডা. আহমেদ তানভীর তাহের; ভিক্টোরিয়ার ডা. মোহাম্মদ মাইনুল হাসান এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ডা. জান্নাতুল তাজরিন। সংগঠনটির সদ্য সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ডা. মোশাররফ হোসেন খান।

দেড় হাজারের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসক

এফবিএমএসএ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য ও টেরিটোরিতে কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সংগঠনগুলোকে একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ছয়টি রাজ্য ও দুটি টেরিটোরিতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসক বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের অনেকে হাসপাতাল, জেনারেল প্র্যাকটিস, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন কমিটির মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক যোগাযোগ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া চিকিৎসকদের দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কাজের সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া, পেশাগত নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলা, মেন্টরশিপ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার মাধ্যমে সহযোগিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নতুন প্রজন্মের চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে তাঁদের সহায়তা করাও নতুন কমিটির অন্যতম লক্ষ্য।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পরিকল্পনা

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণেও কাজ করতে চায় এফবিএমএসএ। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, জেনারেল প্র্যাকটিস, চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবার কারিগরি বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দুই দেশের চিকিৎসক, পেশাজীবী সংগঠন ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলাও গুরুত্বপূর্ণ।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বৈজ্ঞানিক সম্মেলন, সিম্পোজিয়াম, শিক্ষা কার্যক্রম এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের মধ্যে যোগাযোগ ও জ্ঞান বিনিময় বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতার সংযোগ আরও সুদৃঢ় করতে চায় সংগঠনটি।

নতুন কমিটি এসব উদ্যোগকে আরও সুসংগঠিত করে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি চিকিৎসক সমাজ এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়েছে।