ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের কমিটি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৫:২২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫১৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় গ্রিডের একটি অংশে বিপর্যয়ের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বড় অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার ঘটনা তদন্তে এবার কমিটি করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজাকে প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটিকে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন দিতে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের এ কমিটিকে।

মঙ্গলবারের ওই ঘটনার বিষয়ে এর আগে আরেকটি তদন্ত কমিটি করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ বলছে, ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে’ এ বিপর্যয়ের পর সব এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনতে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়।

এর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় ঠিক করতে প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীকে প্রধান করে গঠিত পিজিসিবির কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার মেঘনাঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনে ত্রুটির কারণে ঢাকার পূর্ব অংশ এবং চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকেও বিদ্যুৎ ছিল না। পরে বেলা ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সঞ্চালন লাইনের সব পয়েন্টে পুনঃসংযোগ চালু করা হয়। তবে সব এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনতে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রে দিপু ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা দেবেন প্রবাসী রূপগঞ্জবাসী

ঢাকা-চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের কমিটি

প্রকাশ : ০৫:২২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় গ্রিডের একটি অংশে বিপর্যয়ের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বড় অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার ঘটনা তদন্তে এবার কমিটি করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজাকে প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটিকে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন দিতে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের এ কমিটিকে।

মঙ্গলবারের ওই ঘটনার বিষয়ে এর আগে আরেকটি তদন্ত কমিটি করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ বলছে, ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে’ এ বিপর্যয়ের পর সব এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনতে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়।

এর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় ঠিক করতে প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীকে প্রধান করে গঠিত পিজিসিবির কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার মেঘনাঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনে ত্রুটির কারণে ঢাকার পূর্ব অংশ এবং চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকেও বিদ্যুৎ ছিল না। পরে বেলা ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সঞ্চালন লাইনের সব পয়েন্টে পুনঃসংযোগ চালু করা হয়। তবে সব এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনতে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে যায়।