ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে: কৃষিমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৪:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫১২ বার পড়া হয়েছে

দেশে বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী হাজি আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। তিনি বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট ছিল না এবং বর্তমানেও কোনো সংকট নেই।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র সারের কৃত্রিম সংকট দেখানোর অপচেষ্টা করেছে। তবে এই চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই। বর্তমানে দেশে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন সার মজুদ রয়েছে।’

সারের ডিলারশিপ বিতরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ডিলারশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। ডিলারশিপ দেওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা পাওয়া গেলে তা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে এবং বিষয়গুলো নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আমদানি-নির্ভর পণ্যের তালিকা কমে আসছে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এমন কিছু পণ্য ছিল যা প্রতিবছরই আমদানি করতে হয়েছে। তবে এ বছর ব্যতিক্রম ঘটেছে এবং এখন পর্যন্ত সেগুলো আমদানি করার প্রয়োজন পড়েনি।

বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৪:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দেশে বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী হাজি আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। তিনি বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট ছিল না এবং বর্তমানেও কোনো সংকট নেই।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র সারের কৃত্রিম সংকট দেখানোর অপচেষ্টা করেছে। তবে এই চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই। বর্তমানে দেশে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন সার মজুদ রয়েছে।’

সারের ডিলারশিপ বিতরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ডিলারশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। ডিলারশিপ দেওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা পাওয়া গেলে তা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে এবং বিষয়গুলো নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আমদানি-নির্ভর পণ্যের তালিকা কমে আসছে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এমন কিছু পণ্য ছিল যা প্রতিবছরই আমদানি করতে হয়েছে। তবে এ বছর ব্যতিক্রম ঘটেছে এবং এখন পর্যন্ত সেগুলো আমদানি করার প্রয়োজন পড়েনি।