ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবিধান সংস্কার: গুরুত্ব পাচ্ছে ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক বর্তমানে চলমান রয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি শুরু হয়। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইন বিশেষজ্ঞ ও সংবিধান প্রণেতারা অংশগ্রহণ করেছেন।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো সংবিধানের একটি সর্বজনগ্রাহ্য খসড়া প্রণয়ন করা। এ লক্ষ্যে আমন্ত্রিত আইন বিশেষজ্ঞরা সংবিধানের সামগ্রিক সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট মতামত এবং আইনি পরামর্শ তুলে ধরছেন।

বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আইনি সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বৈঠকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

এছাড়া রাষ্ট্রের ভারসাম্য রক্ষায় কাঠামোগত সংস্কারের ওপরও জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং এর এখতিয়ার সুনির্দিষ্ট করার বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে। একই সঙ্গে, জাতীয় জীবনের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সাধারণ জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে সংবিধানে পুনরায় ‘গণভোট’ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার আইনি দিকগুলো নিয়েও বৈঠকে বিশদ পর্যালোচনা চলছে।

আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি করেছেন অটোরিকশায় আসা একজন:পুলিশ

সংবিধান সংস্কার: গুরুত্ব পাচ্ছে ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’

প্রকাশ : ০৪:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক বর্তমানে চলমান রয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি শুরু হয়। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইন বিশেষজ্ঞ ও সংবিধান প্রণেতারা অংশগ্রহণ করেছেন।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো সংবিধানের একটি সর্বজনগ্রাহ্য খসড়া প্রণয়ন করা। এ লক্ষ্যে আমন্ত্রিত আইন বিশেষজ্ঞরা সংবিধানের সামগ্রিক সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট মতামত এবং আইনি পরামর্শ তুলে ধরছেন।

বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আইনি সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বৈঠকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

এছাড়া রাষ্ট্রের ভারসাম্য রক্ষায় কাঠামোগত সংস্কারের ওপরও জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং এর এখতিয়ার সুনির্দিষ্ট করার বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে। একই সঙ্গে, জাতীয় জীবনের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সাধারণ জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে সংবিধানে পুনরায় ‘গণভোট’ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার আইনি দিকগুলো নিয়েও বৈঠকে বিশদ পর্যালোচনা চলছে।