ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদা দাবি অভিযোগে সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের মামলা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫১৪ বার পড়া হয়েছে

পনেরো লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সাবেক স্ত্রী মোছা. সাথী খাতুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালতে মঙ্গলবার মামলার আবেদন করেন হিরো আলম। তাঁর আইনজীবী শান্তা সাকসিনা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন হিরো আলমের কাজের দুই সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম ও মো. মহিদুল ইসলাম। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, হিরো আলম একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। সাথী তাঁর কাছে গিয়ে মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। কাজ না দিলে না খেয়ে মারা যাবেন বলেও জানান। পরে হিরো আলম তাঁকে মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেন।

মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, “বেশ কিছু মিউজিকে কাজ করার পর একদিন রামপুরার অফিসে গিয়ে হিরো আলমকে সাথী ব্ল্যাকমেইল করে বিয়ের জন্য জোরাজোরি করে। আগের বিয়ের কথা গোপন করে হিরো আলমকে গেল ৪ এপ্রিল বিয়ে করেন সাথী। এর মধ্যে সাথী সেলিমের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে হিরো আলমের কাছ থেকে শাড়ি, কাপড় কেনাবাবদ বিভিন্ন সময়ে তিন লাখ টাকা দাবি করেন সাথী। সংসারের সুখের কথা ভেবে সাথীকে টাকা দেন তিনি।

“গত ২২ অগাস্ট ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান হিরো আলম। তিন আসামি ফোন করে সাজের সামগ্রী কেনাকাটা এবং মিউজিক ভিডিওর জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। দেশে এসে টাকা দেবেন বলে তাদের জানান হিরো আলম। দেশে এসে হিরো আলম জানতে পারেন সাথী, সেলিম ও মহিদুলের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তারা টাকা দাবি করেন।” মামলায় বলা হয়েছে, গত ১৭ অগাস্ট তাঁদের পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে ওই টাকা ব্যাংকে জমা রাখার কথা সাথী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বীকার করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাথীকে তালাক দেওয়ার পর তিন আসামি মিলে তাঁর কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেছেন হিরো আলম। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়, “আসামিরা গত ১২ অক্টোবর সোসাল মিডিয়াতে এসে সরাসরি বলেন, হিরো আলমের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে লাইভে এসে বিষ খাবেন তারা। হিরো আলমকে জেলের ভাত খাওয়াবেন বলেও হুমকি দেন।” এ ঘটনায় গত ১৬ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হিরো আলম। গত ২৯ সেপ্টেম্বর হিরো আলম ও সাথীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

রূপগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, মুগ্ধ সম্প্রীতি ও পরিবেশে

চাঁদা দাবি অভিযোগে সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের মামলা

প্রকাশ : ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

পনেরো লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সাবেক স্ত্রী মোছা. সাথী খাতুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালতে মঙ্গলবার মামলার আবেদন করেন হিরো আলম। তাঁর আইনজীবী শান্তা সাকসিনা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন হিরো আলমের কাজের দুই সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম ও মো. মহিদুল ইসলাম। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, হিরো আলম একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। সাথী তাঁর কাছে গিয়ে মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। কাজ না দিলে না খেয়ে মারা যাবেন বলেও জানান। পরে হিরো আলম তাঁকে মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেন।

মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, “বেশ কিছু মিউজিকে কাজ করার পর একদিন রামপুরার অফিসে গিয়ে হিরো আলমকে সাথী ব্ল্যাকমেইল করে বিয়ের জন্য জোরাজোরি করে। আগের বিয়ের কথা গোপন করে হিরো আলমকে গেল ৪ এপ্রিল বিয়ে করেন সাথী। এর মধ্যে সাথী সেলিমের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে হিরো আলমের কাছ থেকে শাড়ি, কাপড় কেনাবাবদ বিভিন্ন সময়ে তিন লাখ টাকা দাবি করেন সাথী। সংসারের সুখের কথা ভেবে সাথীকে টাকা দেন তিনি।

“গত ২২ অগাস্ট ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান হিরো আলম। তিন আসামি ফোন করে সাজের সামগ্রী কেনাকাটা এবং মিউজিক ভিডিওর জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। দেশে এসে টাকা দেবেন বলে তাদের জানান হিরো আলম। দেশে এসে হিরো আলম জানতে পারেন সাথী, সেলিম ও মহিদুলের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তারা টাকা দাবি করেন।” মামলায় বলা হয়েছে, গত ১৭ অগাস্ট তাঁদের পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে ওই টাকা ব্যাংকে জমা রাখার কথা সাথী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বীকার করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাথীকে তালাক দেওয়ার পর তিন আসামি মিলে তাঁর কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেছেন হিরো আলম। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়, “আসামিরা গত ১২ অক্টোবর সোসাল মিডিয়াতে এসে সরাসরি বলেন, হিরো আলমের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে লাইভে এসে বিষ খাবেন তারা। হিরো আলমকে জেলের ভাত খাওয়াবেন বলেও হুমকি দেন।” এ ঘটনায় গত ১৬ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হিরো আলম। গত ২৯ সেপ্টেম্বর হিরো আলম ও সাথীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়।