ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সাহায্য চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকার বা সিটি করপোরেশনের ওপর নির্ভর না করে দেশের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও চিকিৎসাসেবা সরেজমিনে দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনের সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন এবং আইসিইউ ও অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তবে হাসপাতালের সার্বিক অব্যবস্থাপনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পরিবেশের উন্নয়নে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৭ দিনের সময় বেঁধে দেন।

এরপর তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে যান। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো চারপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মশার প্রজনন রোধ করা। আড়াই কোটি মানুষের ঢাকা শহরে শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর নির্ভর করলে চলবে না, নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। যত্রতত্র ময়লা ফেলা রোধ করা এবং ডাস্টবিন ও রাস্তার পাশের গাছের চারা চুরির মতো অপকর্ম রোধে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীর তাপমাত্রা কমানো এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের একটি চমৎকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে হবে। পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সবুজায়ন এই তিন ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপির দুই কমিটির নেতাদের সাক্ষাৎ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সাহায্য চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকার বা সিটি করপোরেশনের ওপর নির্ভর না করে দেশের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও চিকিৎসাসেবা সরেজমিনে দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনের সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন এবং আইসিইউ ও অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তবে হাসপাতালের সার্বিক অব্যবস্থাপনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পরিবেশের উন্নয়নে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৭ দিনের সময় বেঁধে দেন।

এরপর তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে যান। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো চারপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মশার প্রজনন রোধ করা। আড়াই কোটি মানুষের ঢাকা শহরে শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর নির্ভর করলে চলবে না, নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। যত্রতত্র ময়লা ফেলা রোধ করা এবং ডাস্টবিন ও রাস্তার পাশের গাছের চারা চুরির মতো অপকর্ম রোধে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীর তাপমাত্রা কমানো এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের একটি চমৎকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে হবে। পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সবুজায়ন এই তিন ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।