ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লায় কাউছার নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে গোমতী নদীর উত্তরপাড়ের ছত্রখিল এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে কাউছারের ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, পূর্বশত্রুতা কিংবা অন্য কোনো বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, যুবদল নেতা কাউছারের মৃত্যুর বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তার জানা না থাকলেও এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

প্রকাশ্য দিবালোকে এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা এ ঘটনার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ : ০৫:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লায় কাউছার নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে গোমতী নদীর উত্তরপাড়ের ছত্রখিল এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে কাউছারের ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, পূর্বশত্রুতা কিংবা অন্য কোনো বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, যুবদল নেতা কাউছারের মৃত্যুর বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তার জানা না থাকলেও এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

প্রকাশ্য দিবালোকে এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা এ ঘটনার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।