ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূজার নিরাপত্তায় ২ হাজার ৭২৭ মণ্ডপে বিজিবি মোতায়েন

শারদীয় দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান।

তিনি জানান, আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি মণ্ডপে বিজিবির উপস্থিতি থাকবে।

দুর্গম এলাকার মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা সহায়তা দ্রুততর করতে ইতোমধ্যে ২১টি বেজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে এসব এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ‘শারদীয় সুরক্ষা’ নামের একটি বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান ও পরিস্থিতি মূল্যায়নে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

উৎসবের সময় যেকোনো ধরনের গুজব, অপতথ্য বা সাম্প্রদায়িক উসকানি ঠেকাতে বিজিবির বিশেষ নজরদারি থাকবে জানিয়ে সবাইকে যাচাই না করে সংবেদনশীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।

কুমিল্লায় যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা

পূজার নিরাপত্তায় ২ হাজার ৭২৭ মণ্ডপে বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশ : ০৫:১২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান।

তিনি জানান, আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি মণ্ডপে বিজিবির উপস্থিতি থাকবে।

দুর্গম এলাকার মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা সহায়তা দ্রুততর করতে ইতোমধ্যে ২১টি বেজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে এসব এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ‘শারদীয় সুরক্ষা’ নামের একটি বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান ও পরিস্থিতি মূল্যায়নে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

উৎসবের সময় যেকোনো ধরনের গুজব, অপতথ্য বা সাম্প্রদায়িক উসকানি ঠেকাতে বিজিবির বিশেষ নজরদারি থাকবে জানিয়ে সবাইকে যাচাই না করে সংবেদনশীল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।