বাসায় ফিরে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সাবেক অধ্যাপক দুলাল কান্তি ভৌমিক। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বাসায় ফেরা এ অধ্যাপক অপহরণের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ পরিবারের।
শুক্রবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে দুলাল কান্তির স্ত্রী কল্পনা হালদার গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে উনি বাসায় ফিরেছেন। তাকে প্রথমে অজ্ঞান করে, তারপর অপহরণ করা হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর তাকে আবার ছেড়ে দিয়েছে।
তার ভাষ্য, দুলাল কান্তি ভৌমিকের কাছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা ছিল। অপহরণকারীরা সেই টাকা নেয়নি। অপহরনকারীরা তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, স্ত্রী কী করেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা কী করেন।
কল্পনা হালদার বলেন, অপহরণকারীরা স্বামীর কাছে তার ফোন নম্বরও চেয়েছিলেন। চালকসহ পাঁচজন ছিলেন অপহরণকারীরা। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ ও বাহ্যিক অবয়ব ভালো ছিল।
তিনি বলেন, দুলাল কান্তি ভৌমিক বাসায় ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছেন। ঘটনার ব্যাপারে অনেক কিছুই বলতে পারছেন না। কী হয়েছিলো সেগুলোর বেশ কিছু বিষয় ভুলে গেছেন।
পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকার বাসা থেকে ওষুধ কেনার কথা বলে বের হন দুলাল কান্তি ভৌমিক। রাত ১০টা পর্যন্ত বাসায় না ফেরায় মোহাম্মদপুর থানায় জিডি করেন কল্পনা হালদার।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে অধ্যাপক দুলালের সঙ্গে কথা হয়েছে। সৈয়দপুর থেকে বাসে করে তার বাসায় ফেরার কথা ছিল। তিনি একাই ফিরছিলেন।
দুলাল কান্তি ভৌমিক অপহরণের শিকার হয়েছিলেন কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, তিনি বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, ফিরে এসে সব জানাবেন। পরে তার সঙ্গে কথা বলে নিরাপদে আছেন নিশ্চিত হওয়ার পর অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
শুক্রবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কিনা জানতে চাইলে কল্পনা হালদার বলেন, পুলিশ বাসায় এসেছিল। গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তাও এসেছিলেন।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 

















