ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্বাচলে প্লটবঞ্চিত আদিবাসীদের প্লট দেওয়ার দাবি দিপু ভূঁইয়ার

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল প্রকল্পে প্লটবঞ্চিত আদিবাসী আবেদনকারীদের প্লট দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।

জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাজউকের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এ দাবি জানান। বৈঠকে পূর্বাচল প্রকল্পে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ আদিবাসী আবেদনকারীদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে দিপু ভূঁইয়া বলেন, পূর্বাচল প্রকল্পে যেসব আদিবাসী আবেদনকারী এখনো প্লট পাননি, তাদের বিষয়টি মানবিক ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা প্লটের জন্য ইতোমধ্যে তিনটি কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন, তাদের প্লট বরাদ্দের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আবেদনকারীদের অনেকে দীর্ঘদিন ধরে প্লট পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। এর মধ্যে যারা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্লট বরাদ্দের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে কিস্তি পরিশোধ করতে না পারা আবেদনকারীদেরও সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, কোনো কারণে যারা সময়মতো কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি, তাদের পরবর্তী সময়ে বকেয়া কিস্তি পরিশোধের সুযোগ দিয়ে প্লট বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

দিপু ভূঁইয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্লটের প্রত্যাশায় থাকা আবেদনকারীদের বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে মানবিক ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকেও বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা ইতোমধ্যে কিস্তি পরিশোধ করেছেন এবং যারা নির্ধারিত সময়ে কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি-উভয় শ্রেণির আবেদনকারীদের বিষয়টি আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে ন্যায্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বৈঠকে রাজউকের বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পূর্বাচল প্রকল্পসহ রাজউকের কার্যক্রমে আবেদনকারীদের স্বার্থ ও ন্যায্যতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার ওপর জোর দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপির দুই কমিটির নেতাদের সাক্ষাৎ

পূর্বাচলে প্লটবঞ্চিত আদিবাসীদের প্লট দেওয়ার দাবি দিপু ভূঁইয়ার

প্রকাশ : ০৫:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল প্রকল্পে প্লটবঞ্চিত আদিবাসী আবেদনকারীদের প্লট দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।

জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাজউকের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এ দাবি জানান। বৈঠকে পূর্বাচল প্রকল্পে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ আদিবাসী আবেদনকারীদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে দিপু ভূঁইয়া বলেন, পূর্বাচল প্রকল্পে যেসব আদিবাসী আবেদনকারী এখনো প্লট পাননি, তাদের বিষয়টি মানবিক ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা প্লটের জন্য ইতোমধ্যে তিনটি কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন, তাদের প্লট বরাদ্দের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আবেদনকারীদের অনেকে দীর্ঘদিন ধরে প্লট পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। এর মধ্যে যারা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্লট বরাদ্দের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে কিস্তি পরিশোধ করতে না পারা আবেদনকারীদেরও সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, কোনো কারণে যারা সময়মতো কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি, তাদের পরবর্তী সময়ে বকেয়া কিস্তি পরিশোধের সুযোগ দিয়ে প্লট বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

দিপু ভূঁইয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্লটের প্রত্যাশায় থাকা আবেদনকারীদের বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে মানবিক ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকেও বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা ইতোমধ্যে কিস্তি পরিশোধ করেছেন এবং যারা নির্ধারিত সময়ে কিস্তি পরিশোধ করতে পারেননি-উভয় শ্রেণির আবেদনকারীদের বিষয়টি আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে ন্যায্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বৈঠকে রাজউকের বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পূর্বাচল প্রকল্পসহ রাজউকের কার্যক্রমে আবেদনকারীদের স্বার্থ ও ন্যায্যতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার ওপর জোর দেওয়া হয়।