ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাড্ডা ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত: তথ্য উপদেষ্টা

মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র) ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তদন্তে এসব ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন। তবে জাহেদ উর রহমান তাঁর বক্তব্যে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর নাম উল্লেখ করেননি।

সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির নাম এসেছে। এতে দলটির দুর্নাম-বদনাম হয়েছে, এ নিয়ে সরকার বিব্রত কি না। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ভাড়াটে হিসেবে পাঠানো হয়েছিল এবং তাঁদের পাঠানোর সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগসূত্র থাকার অভিযোগ উঠেছে—এ বিষয়ে প্রকৃত তদন্ত হবে কি না, জানতে চান তিনি।

জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে, তাঁর স্থাপনা ভাঙা হলে বা তিনি হামলার শিকার হলে সরকার প্রতিটি ঘটনায় দুঃখিত এবং অবশ্যই বিব্রত। এমনকি কেউ অপরাধী হলেও তাঁর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, যদি তাঁর ওপর এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কারণ এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের ছিল, বিব্রত এই অর্থে।’

এসব ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘তদন্তে কারও নাম এ ঘটনায় যুক্ত থাকার মতো করে এলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। তাঁর ভাষ্য, মানুষের মধ্যে এসব ঘটনার প্রভাব খুবই ভয়ংকর।’’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘‘রাষ্ট্র ও সরকারের কাজ অপরাধ ঠেকানোর চেষ্টা করা। কিন্তু কোনো অপরাধ ঘটে গেলে তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধ না ঘটে, সেই ব্যবস্থা নেওয়াও সরকারের দায়িত্ব।’’

জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সুতরাং আপনি নিশ্চিত থাকুন, এটা এ জায়গায় থেমে থাকবে না। এটা তদন্ত হবে। তদন্ত হতে হতে এর সঙ্গে যদি আরও কেউ—আবারও বলছি, যদি জড়িত থাকে, তাহলে অবশ্যই তাঁকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

রাড্ডা ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ : ০৪:১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র) ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তদন্তে এসব ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন। তবে জাহেদ উর রহমান তাঁর বক্তব্যে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর নাম উল্লেখ করেননি।

সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির নাম এসেছে। এতে দলটির দুর্নাম-বদনাম হয়েছে, এ নিয়ে সরকার বিব্রত কি না। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ভাড়াটে হিসেবে পাঠানো হয়েছিল এবং তাঁদের পাঠানোর সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগসূত্র থাকার অভিযোগ উঠেছে—এ বিষয়ে প্রকৃত তদন্ত হবে কি না, জানতে চান তিনি।

জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে, তাঁর স্থাপনা ভাঙা হলে বা তিনি হামলার শিকার হলে সরকার প্রতিটি ঘটনায় দুঃখিত এবং অবশ্যই বিব্রত। এমনকি কেউ অপরাধী হলেও তাঁর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, যদি তাঁর ওপর এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কারণ এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের ছিল, বিব্রত এই অর্থে।’

এসব ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘তদন্তে কারও নাম এ ঘটনায় যুক্ত থাকার মতো করে এলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। তাঁর ভাষ্য, মানুষের মধ্যে এসব ঘটনার প্রভাব খুবই ভয়ংকর।’’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘‘রাষ্ট্র ও সরকারের কাজ অপরাধ ঠেকানোর চেষ্টা করা। কিন্তু কোনো অপরাধ ঘটে গেলে তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধ না ঘটে, সেই ব্যবস্থা নেওয়াও সরকারের দায়িত্ব।’’

জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সুতরাং আপনি নিশ্চিত থাকুন, এটা এ জায়গায় থেমে থাকবে না। এটা তদন্ত হবে। তদন্ত হতে হতে এর সঙ্গে যদি আরও কেউ—আবারও বলছি, যদি জড়িত থাকে, তাহলে অবশ্যই তাঁকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’