ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জানুয়ারিতে ভোটের আশা ইসির

বার্ষিক ও পাবলিক পরীক্ষাসহ সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনা নিয়ে আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আশা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও উপনির্বাচনসহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষার সিডিউল এড়িয়ে পরবর্তী সময়ে যাতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কমিশন তা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা করছে। মূলত বার্ষিক পরীক্ষা থাকার কারণেই নভেম্বর-ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। আশা করি, জানুয়ারি থেকেই এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

কমিশনের সিদ্ধান্ত বদলের কারণ ব্যাখ্যা করে ইসি আনোয়ারুল বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে একটি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আবার বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাসহ অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম পিছিয়ে যাওয়ার মতো বাস্তবতাও তৈরি হয়েছে। তাই নির্বাচন আয়োজনে রমজান, ঈদ, দুর্গাপূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ সামগ্রিক বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করছে ইসি।

সরকারের কোনো প্রভাবে নির্বাচনের তারিখ পিছানো হয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, সরকারের কোনো চাপে নির্বাচন কমিশন তারিখ পেছায়নি। বরং বাস্তবতা, আইনি বাধ্যবাধকতা এবং সংবিধানের আলোকেই কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত ও সময়সূচি নির্ধারণ করে থাকে।

রূপগঞ্জ ও দাউদপুরে ইউপি নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জানুয়ারিতে ভোটের আশা ইসির

প্রকাশ : ০৫:০০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বার্ষিক ও পাবলিক পরীক্ষাসহ সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনা নিয়ে আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আশা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও উপনির্বাচনসহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষার সিডিউল এড়িয়ে পরবর্তী সময়ে যাতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কমিশন তা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা করছে। মূলত বার্ষিক পরীক্ষা থাকার কারণেই নভেম্বর-ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। আশা করি, জানুয়ারি থেকেই এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

কমিশনের সিদ্ধান্ত বদলের কারণ ব্যাখ্যা করে ইসি আনোয়ারুল বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে একটি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আবার বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাসহ অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম পিছিয়ে যাওয়ার মতো বাস্তবতাও তৈরি হয়েছে। তাই নির্বাচন আয়োজনে রমজান, ঈদ, দুর্গাপূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ সামগ্রিক বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করছে ইসি।

সরকারের কোনো প্রভাবে নির্বাচনের তারিখ পিছানো হয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, সরকারের কোনো চাপে নির্বাচন কমিশন তারিখ পেছায়নি। বরং বাস্তবতা, আইনি বাধ্যবাধকতা এবং সংবিধানের আলোকেই কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত ও সময়সূচি নির্ধারণ করে থাকে।