ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বজয়ী হাফেজদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা: যোগ্যতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ঘোষণা

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের হাফেজদের সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বজয়ী এই হাফেজদের অভিনন্দন জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মেধাবী সন্তানরা নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, রাষ্ট্র তা যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাফেজদের এই সাফল্যকে তিনি কেবল তাঁদের ব্যক্তিগত নয়, বরং বাংলাদেশের সব মুসলমানের অনন্য অর্জন বলে অভিহিত করেন।

সংবর্ধনাকালে বিজয়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাঁদের কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরলে প্রধানমন্ত্রী তা সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

উল্লেখ্য, ১৩৩টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ বিভাগে প্রথম এবং হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। নারী শাখায় হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ নিজ নিজ বিভাগে তৃতীয় হন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের বই উপহার দেন এবং তাঁদের কণ্ঠে কোরআন তিলাওয়াত শোনেন।

আমিরজান কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত: লাইব্রেরি ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার আশ্বাস এমপি জাহাঙ্গীরের

বিশ্বজয়ী হাফেজদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা: যোগ্যতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ঘোষণা

প্রকাশ : ০৪:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশের হাফেজদের সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বজয়ী এই হাফেজদের অভিনন্দন জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মেধাবী সন্তানরা নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, রাষ্ট্র তা যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাফেজদের এই সাফল্যকে তিনি কেবল তাঁদের ব্যক্তিগত নয়, বরং বাংলাদেশের সব মুসলমানের অনন্য অর্জন বলে অভিহিত করেন।

সংবর্ধনাকালে বিজয়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাঁদের কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরলে প্রধানমন্ত্রী তা সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

উল্লেখ্য, ১৩৩টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ বিভাগে প্রথম এবং হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। নারী শাখায় হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ নিজ নিজ বিভাগে তৃতীয় হন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের বই উপহার দেন এবং তাঁদের কণ্ঠে কোরআন তিলাওয়াত শোনেন।