ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপগঞ্জে দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প-ভেন্ডার কমিটি ঘোষণা, জাল দলিল খুঁজে জমি উদ্ধারের আশ্বাস

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক, স্ট্যাম্প ও ভেন্ডার কমিটির নতুন সভাপতি হিসেবে আবদুল জলিল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. শাহিন মিয়াকে ঘোষণা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু এ কমিটি ঘোষণা করেন।

এ সময় সংসদ সদস্য দিপু ভূঁইয়া বলেন, বিগত সময়ে এক শ্রেণির দলিল লেখক ও ভেন্ডার তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনীত সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় জাল দলিল তৈরি করে নিরীহ মানুষের জমি দখলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব জাল দলিল খুঁজে বের করে জমি দখলের অভিযোগ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির দখলে থাকা জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মালিকদের কাছে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, জমি নিয়ে জালিয়াতি ও অনিয়মের কারণে কোনো নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। জমির প্রকৃত মালিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং ভূমিসংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এদিকে, নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কাঞ্চন পৌরসভা যুবদলের নেতা মো. শাহিন মিয়া দায়িত্ব পাওয়ার পর মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শাহিন মিয়া বলেন, “আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সৎ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৭ বছর ধরে হত্যা ও নাশকতার মামলাসহ বিভিন্ন মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছি। বহুবার কারাবরণ করেও বিএনপির আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি।”

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করবেন। সাধারণ মানুষ যাতে ভূমিসংক্রান্ত কাজে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

স্থানীয়ভাবে জমি নিয়ে বিরোধ, দলিল জালিয়াতি ও মালিকানা নিয়ে জটিলতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ পরিস্থিতিতে নতুন কমিটির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা এবং জাল দলিল শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

তবে জাল দলিল তৈরি, জমি দখল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

 

রূপগঞ্জে দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প-ভেন্ডার কমিটি ঘোষণা, জাল দলিল খুঁজে জমি উদ্ধারের আশ্বাস

রূপগঞ্জে দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প-ভেন্ডার কমিটি ঘোষণা, জাল দলিল খুঁজে জমি উদ্ধারের আশ্বাস

প্রকাশ : ০৮:০৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক, স্ট্যাম্প ও ভেন্ডার কমিটির নতুন সভাপতি হিসেবে আবদুল জলিল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. শাহিন মিয়াকে ঘোষণা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু এ কমিটি ঘোষণা করেন।

এ সময় সংসদ সদস্য দিপু ভূঁইয়া বলেন, বিগত সময়ে এক শ্রেণির দলিল লেখক ও ভেন্ডার তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনীত সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় জাল দলিল তৈরি করে নিরীহ মানুষের জমি দখলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব জাল দলিল খুঁজে বের করে জমি দখলের অভিযোগ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির দখলে থাকা জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মালিকদের কাছে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, জমি নিয়ে জালিয়াতি ও অনিয়মের কারণে কোনো নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। জমির প্রকৃত মালিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং ভূমিসংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এদিকে, নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কাঞ্চন পৌরসভা যুবদলের নেতা মো. শাহিন মিয়া দায়িত্ব পাওয়ার পর মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শাহিন মিয়া বলেন, “আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সৎ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৭ বছর ধরে হত্যা ও নাশকতার মামলাসহ বিভিন্ন মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছি। বহুবার কারাবরণ করেও বিএনপির আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি।”

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করবেন। সাধারণ মানুষ যাতে ভূমিসংক্রান্ত কাজে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

স্থানীয়ভাবে জমি নিয়ে বিরোধ, দলিল জালিয়াতি ও মালিকানা নিয়ে জটিলতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ পরিস্থিতিতে নতুন কমিটির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা এবং জাল দলিল শনাক্ত করে প্রকৃত মালিকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

তবে জাল দলিল তৈরি, জমি দখল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।