ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগেই বদলে গেছে বাংলাদেশ: ড. এম এ কাইয়ুম

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ফলেই আজকের পরিবর্তিত বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। তাদের অবদানের কারণেই দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) রাজধানীর গুলশান–২ এলাকার স্বদেশ প্রপার্টিস কার্যালয়ে আহত ও নিহত জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাসিক ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাদের এই ত্যাগ জাতি কোনোদিন ভুলবে না। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, দেশের নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার গঠনের পরপরই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ভাতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও জনমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিএনপি সব সময়ই এ দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে এসেছে। বিশেষ করে আন্দোলন–সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়াকে বিএনপি নৈতিক কর্তব্য হিসেবে মনে করে।

তিনি বলেন, “জুলাই যোদ্ধারা আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। তাদের সুখে–দুঃখে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। আমরা চাই তারা সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচুক।”

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী দিনগুলোতে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে আরও নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কল্যাণে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।

অনুষ্ঠানে আহত ও নিহত জুলাই যোদ্ধাদের ৩০টি পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাসিক ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ

জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগেই বদলে গেছে বাংলাদেশ: ড. এম এ কাইয়ুম

প্রকাশ : ০৮:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ফলেই আজকের পরিবর্তিত বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। তাদের অবদানের কারণেই দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) রাজধানীর গুলশান–২ এলাকার স্বদেশ প্রপার্টিস কার্যালয়ে আহত ও নিহত জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাসিক ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাদের এই ত্যাগ জাতি কোনোদিন ভুলবে না। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, দেশের নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার গঠনের পরপরই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ভাতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও জনমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিএনপি সব সময়ই এ দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে এসেছে। বিশেষ করে আন্দোলন–সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়াকে বিএনপি নৈতিক কর্তব্য হিসেবে মনে করে।

তিনি বলেন, “জুলাই যোদ্ধারা আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। তাদের সুখে–দুঃখে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। আমরা চাই তারা সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচুক।”

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী দিনগুলোতে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে আরও নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কল্যাণে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।

অনুষ্ঠানে আহত ও নিহত জুলাই যোদ্ধাদের ৩০টি পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাসিক ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হয়।