ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রায় বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই: সড়কমন্ত্রী

ঈদুল আজহা উপলক্ষে চলমান ঈদযাত্রায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার (২৪ মে) ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে ট্রেন চলাচল মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে রেল যোগাযোগ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে।

মন্ত্রী জানান, কিছু ট্রেন সামান্য বিলম্বিত হলেও তা বড় কোনো সমস্যার কারণ হয়নি। সকালে তিনটি ট্রেন কিছুটা দেরিতে চলেছে, এর মধ্যে একটি ট্রেনের চাকা স্লিপ করার ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ওপর শুকনো খড় ছড়িয়ে থাকার কারণেই এ সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে রিলিফ ট্রেন পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

তিনি বলেন, ঈদে যাত্রীচাপ অনেক বেশি থাকলেও বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান সক্ষমতা সীমিত। প্রতিদিন আন্তঃনগর ট্রেনে প্রায় ৩২ হাজার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, ফলে আরও প্রায় চার হাজার যাত্রী বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। তবে ট্রেনযাত্রীর সংখ্যা কয়েক লাখ হওয়ায় চাপ সামলানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আগের তুলনায় রেলের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং যাত্রীরা সেবার মান নিয়ে সন্তুষ্ট। অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থায় কোনো সিন্ডিকেটের সুযোগ হয়নি। এ সময় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন বৃহস্পতিবার

ঈদযাত্রায় বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই: সড়কমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৪:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ঈদুল আজহা উপলক্ষে চলমান ঈদযাত্রায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার (২৪ মে) ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে ট্রেন চলাচল মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে রেল যোগাযোগ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে।

মন্ত্রী জানান, কিছু ট্রেন সামান্য বিলম্বিত হলেও তা বড় কোনো সমস্যার কারণ হয়নি। সকালে তিনটি ট্রেন কিছুটা দেরিতে চলেছে, এর মধ্যে একটি ট্রেনের চাকা স্লিপ করার ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ওপর শুকনো খড় ছড়িয়ে থাকার কারণেই এ সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে রিলিফ ট্রেন পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

তিনি বলেন, ঈদে যাত্রীচাপ অনেক বেশি থাকলেও বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান সক্ষমতা সীমিত। প্রতিদিন আন্তঃনগর ট্রেনে প্রায় ৩২ হাজার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, ফলে আরও প্রায় চার হাজার যাত্রী বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। তবে ট্রেনযাত্রীর সংখ্যা কয়েক লাখ হওয়ায় চাপ সামলানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আগের তুলনায় রেলের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং যাত্রীরা সেবার মান নিয়ে সন্তুষ্ট। অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থায় কোনো সিন্ডিকেটের সুযোগ হয়নি। এ সময় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।