৪২নং ওয়ার্ড (বেরাইদ) এলাকায় আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। এ প্রেক্ষাপটে বেরাইদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান মাহফুজকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের একটি বড় অংশ মনে করছেন, অভিজ্ঞতা, সততা ও জনসম্পৃক্ততার দিক থেকে তিনি এই ওয়ার্ডের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান মাহফুজ এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট সংস্কার ও নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়গুলো স্থানীয়দের কাছে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, তিনি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেননি; বরং মানুষের দুঃসময়ে ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামাজিক সংকট কিংবা ব্যক্তিগত বিপদ—বিভিন্ন সময়ে তার উপস্থিতি ও সহায়তা সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
৪২নং ওয়ার্ডের তরুণ ও সচেতন ভোটারদের একটি অংশ বলছেন, এখন সময় এসেছে প্রতিশ্রুতির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে কাজের রাজনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ার। তাদের মতে, একজন কাউন্সিলর শুধু উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের ট্যাক্সের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হচ্ছে কি না—সেসব বিষয়েও জবাবদিহিতা থাকতে হবে।
একজন প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “আমরা শুধু একজন জনপ্রতিনিধি চাই না, চাই একজন অভিভাবক। যিনি সুখে-দুঃখে আমাদের পাশে থাকবেন, আমাদের সমস্যার কথা শুনবেন এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করতে সক্ষম, অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বই ৪২নং ওয়ার্ডকে এগিয়ে নিতে পারে। তাদের মতে, অতীতের অভিজ্ঞতা, বর্তমানের আস্থা এবং ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয়ে আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান মাহফুজ এই ওয়ার্ডের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
সব মিলিয়ে, ৪২নং ওয়ার্ডে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং জনবান্ধব প্রশাসন নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের দাবি এখন স্পষ্ট। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই আলোচনা আরও গতি পাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















