ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শহিদ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-১১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ড. এম এ কাইয়ুমের

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৭:৪৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-১১ আসনে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রচারণাকালে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের নিয়ে আজ কেউ কেউ রাজনীতি ও ব্যবসা করছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—জুলাই শহীদদের পরিবার আমাদের পরিবারেরই অংশ। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের সঙ্গে নিয়েই আগামীর ঢাকা-১১ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করবো—ইনশাআল্লাহ।”

তিনি বলেন, শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ বিগত সময়ে এই পরিবারগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহিদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরও বলেন, ঢাকা-১১ আসনের সকল প্রার্থীর প্রতি তার আহ্বান—অতীতের কাঁদা ছোড়াছুড়ি ও নোংরা রাজনীতি পরিহার করে একটি সহনশীল, শালীন ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। “ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু তা যেন বিদ্বেষে পরিণত না হয়। আসুন, সকলে মিলেমিশে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করি,”—যোগ করেন তিনি।

বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে উন্নয়নের নামে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করেছে। এই সময়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে, আইনের শাসন ছিল না এবং দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু ছিল। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার একদিন বাংলার মাটিতেই হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

তিনি আরও বলেন, মাফিয়াদের অবাধ লুটপাটের কারণে আজ দেশ ভয়াবহ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। বিশেষ করে নারী সমাজ দৈনন্দিন জীবনে নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা আর দমন-পীড়ন, ভয়ভীতি ও ভোটবিহীন নির্বাচন দেখতে চায় না। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করবে—ইনশাআল্লাহ।”

আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা-১১ আসনকে একটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও সামাজিক সম্প্রীতি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ঢাকা-১১ নির্মাণই তার মূল লক্ষ্য।

প্রচারণাকালে শহিদ পরিবারের সদস্যসহ ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে: আবদুল আউয়াল মিন্টু

শহিদ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-১১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ড. এম এ কাইয়ুমের

প্রকাশ : ০৭:৪৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-১১ আসনে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রচারণাকালে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের নিয়ে আজ কেউ কেউ রাজনীতি ও ব্যবসা করছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—জুলাই শহীদদের পরিবার আমাদের পরিবারেরই অংশ। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের সঙ্গে নিয়েই আগামীর ঢাকা-১১ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করবো—ইনশাআল্লাহ।”

তিনি বলেন, শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ বিগত সময়ে এই পরিবারগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহিদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরও বলেন, ঢাকা-১১ আসনের সকল প্রার্থীর প্রতি তার আহ্বান—অতীতের কাঁদা ছোড়াছুড়ি ও নোংরা রাজনীতি পরিহার করে একটি সহনশীল, শালীন ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। “ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু তা যেন বিদ্বেষে পরিণত না হয়। আসুন, সকলে মিলেমিশে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করি,”—যোগ করেন তিনি।

বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে উন্নয়নের নামে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করেছে। এই সময়ে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে, আইনের শাসন ছিল না এবং দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু ছিল। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার একদিন বাংলার মাটিতেই হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

তিনি আরও বলেন, মাফিয়াদের অবাধ লুটপাটের কারণে আজ দেশ ভয়াবহ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। বিশেষ করে নারী সমাজ দৈনন্দিন জীবনে নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা আর দমন-পীড়ন, ভয়ভীতি ও ভোটবিহীন নির্বাচন দেখতে চায় না। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করবে—ইনশাআল্লাহ।”

আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা-১১ আসনকে একটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও সামাজিক সম্প্রীতি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ঢাকা-১১ নির্মাণই তার মূল লক্ষ্য।

প্রচারণাকালে শহিদ পরিবারের সদস্যসহ ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।