ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে খিলক্ষেতে বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

  • হাফিজুর রহমান
  • প্রকাশ : ০৭:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৮১ বার পড়া হয়েছে

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দলীয় গণতন্ত্রের প্রতীক, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আওতাধীন ঢাকা-১৮ আসনের খিলক্ষেত থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বাদ আসর খিলক্ষেতের কর্মীটোলা হাই স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশগ্রহণ করেন। শোকাবহ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশনেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ এবং ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ফজলুল হক, সদস্য সচিব লায়ন মো. সোহরাব খান স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোবারক হোসেন দেওয়ান, বিলাল হোসেন, সি এম আনোয়ার, খিলক্ষেত থানা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক সোলায়মান, থানা যুবদলের আহ্বায়ক মজুমদার মুরাদ, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার আহমেদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল নুর তুষারসহ থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, চরম অসুস্থতা, দীর্ঘ কারাবরণ ও সীমাহীন রাজনৈতিক নিপীড়নের মধ্যেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তিনি আজীবন গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল ছিলেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শূন্যতা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন গণতন্ত্রকামী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার আদর্শ ও সংগ্রামের পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামীতেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

শেষে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে: আবদুল আউয়াল মিন্টু

গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে খিলক্ষেতে বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশ : ০৭:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দলীয় গণতন্ত্রের প্রতীক, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আওতাধীন ঢাকা-১৮ আসনের খিলক্ষেত থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বাদ আসর খিলক্ষেতের কর্মীটোলা হাই স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশগ্রহণ করেন। শোকাবহ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশনেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ এবং ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ফজলুল হক, সদস্য সচিব লায়ন মো. সোহরাব খান স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোবারক হোসেন দেওয়ান, বিলাল হোসেন, সি এম আনোয়ার, খিলক্ষেত থানা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক সোলায়মান, থানা যুবদলের আহ্বায়ক মজুমদার মুরাদ, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার আহমেদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল নুর তুষারসহ থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, চরম অসুস্থতা, দীর্ঘ কারাবরণ ও সীমাহীন রাজনৈতিক নিপীড়নের মধ্যেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তিনি আজীবন গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল ছিলেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শূন্যতা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন গণতন্ত্রকামী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার আদর্শ ও সংগ্রামের পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামীতেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

শেষে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।