ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রিলিয়ন ডলারের ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসায় বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা: আইডিএবি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৮:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • ৪৫৭৬ বার পড়া হয়েছে

ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং খাত বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় শিল্প—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (আইডিএবি)-এর নেতৃবৃন্দ। শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) অডিটরিয়ামে সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, এ খাতের বৈশ্বিক বাজার ট্রিলিয়ন ডলারের এবং বাংলাদেশে এটি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের একটি বড় ক্ষেত্র হতে পারে।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম সরনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সহ-সভাপতি আর্কিটেক্ট সজীব জাহান, প্রধান উপদেষ্টা শাফিউল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। কেক কেটে সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

নেতৃবৃন্দ জানান, ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং খাত দেশের আবাসন ও নির্মাণ শিল্পের পশ্চাৎসংযোগ খাত হিসেবে কাজ করে। তবে এই শিল্পের বিকাশে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে—অসহনীয় রাজস্ব কাঠামো, সহায়ক নীতিমালার অভাব এবং দক্ষ জনবলের সংকট।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তারা জানান, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এ খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অপার সুযোগ রয়েছে। এজন্য সরকারকে অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নীতিমালা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আর্কিটেক্ট সজীব জাহান বলেন, “শৈল্পিক বোধ ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা যে সৃজনশীলতা দেখিয়ে থাকেন, তা শুধুই নান্দনিকতার জন্য নয়, বরং একটি স্থানকে সর্বোচ্চ উৎপাদনশীল করে তোলে। এই শিল্প তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের একটি সম্ভাবনাময় খাত।”

প্রধান উপদেষ্টা শাফিউল ইসলাম বলেন, “জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ন ও মানুষের রুচির পরিবর্তনের কারণে ভবন, অফিস, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন স্থাপনার অন্দরসজ্জায় গুরুত্ব বেড়েছে। ফলে ইন্টেরিয়র ডিজাইন এখন শুধু বিলাস নয়, বরং একটি অপরিহার্য উপাদান।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আইডিএবি সরকারের কাছে এ খাতের উন্নয়নে সহায়তা ও দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করেছে। তারা মনে করেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত হতে পারে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনটি স্পন্সর করেছে তিলোত্তমা এবং মাই কিচেন—দুইটি পরিচিত বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ব্র্যান্ড।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর

ট্রিলিয়ন ডলারের ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসায় বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা: আইডিএবি

প্রকাশ : ০৮:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং খাত বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় শিল্প—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (আইডিএবি)-এর নেতৃবৃন্দ। শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) অডিটরিয়ামে সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, এ খাতের বৈশ্বিক বাজার ট্রিলিয়ন ডলারের এবং বাংলাদেশে এটি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের একটি বড় ক্ষেত্র হতে পারে।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম সরনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সহ-সভাপতি আর্কিটেক্ট সজীব জাহান, প্রধান উপদেষ্টা শাফিউল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। কেক কেটে সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

নেতৃবৃন্দ জানান, ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং খাত দেশের আবাসন ও নির্মাণ শিল্পের পশ্চাৎসংযোগ খাত হিসেবে কাজ করে। তবে এই শিল্পের বিকাশে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে—অসহনীয় রাজস্ব কাঠামো, সহায়ক নীতিমালার অভাব এবং দক্ষ জনবলের সংকট।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তারা জানান, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এ খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অপার সুযোগ রয়েছে। এজন্য সরকারকে অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নীতিমালা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আর্কিটেক্ট সজীব জাহান বলেন, “শৈল্পিক বোধ ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা যে সৃজনশীলতা দেখিয়ে থাকেন, তা শুধুই নান্দনিকতার জন্য নয়, বরং একটি স্থানকে সর্বোচ্চ উৎপাদনশীল করে তোলে। এই শিল্প তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের একটি সম্ভাবনাময় খাত।”

প্রধান উপদেষ্টা শাফিউল ইসলাম বলেন, “জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ন ও মানুষের রুচির পরিবর্তনের কারণে ভবন, অফিস, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন স্থাপনার অন্দরসজ্জায় গুরুত্ব বেড়েছে। ফলে ইন্টেরিয়র ডিজাইন এখন শুধু বিলাস নয়, বরং একটি অপরিহার্য উপাদান।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আইডিএবি সরকারের কাছে এ খাতের উন্নয়নে সহায়তা ও দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করেছে। তারা মনে করেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত হতে পারে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনটি স্পন্সর করেছে তিলোত্তমা এবং মাই কিচেন—দুইটি পরিচিত বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ব্র্যান্ড।