ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামপুরা পাকা মসজিদে জুম্মা নামাজ আদায় শেষে কোরআনের পাখিদের সঙ্গে সময় কাটালেন ড. এম এ কাইয়ুম

রামপুরা পাকা মসজিদে পবিত্র জুম্মা নামাজ আদায় শেষে শিশু হাফেজ ও কোরআনের পাখিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সময় কাটিয়েছেন ঢাকা–১১ আসনের বিএনপির চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুম্মা নামাজ শেষে মসজিদ প্রাঙ্গণে উপস্থিত শিশু কোরআন শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তিনি শিশুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন, তাদের পড়াশোনা ও কোরআন শিক্ষার খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। কোরআনের আলোয় আলোকিত প্রজন্মই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় স্থানীয় মুসল্লি, মসজিদ কমিটির সদস্য ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। ড. এম এ কাইয়ুমের এই মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত সম্পৃক্ততা এলাকাবাসীর সঙ্গে ড. এম এ কাইয়ুমের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে কিশোরীর গোসলের ভিডিও  গোপনে  ধারণের চেষ্টায় এক যুবকের কারাদণ্ড 

রামপুরা পাকা মসজিদে জুম্মা নামাজ আদায় শেষে কোরআনের পাখিদের সঙ্গে সময় কাটালেন ড. এম এ কাইয়ুম

প্রকাশ : ০৭:০৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রামপুরা পাকা মসজিদে পবিত্র জুম্মা নামাজ আদায় শেষে শিশু হাফেজ ও কোরআনের পাখিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সময় কাটিয়েছেন ঢাকা–১১ আসনের বিএনপির চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুম্মা নামাজ শেষে মসজিদ প্রাঙ্গণে উপস্থিত শিশু কোরআন শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তিনি শিশুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন, তাদের পড়াশোনা ও কোরআন শিক্ষার খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। কোরআনের আলোয় আলোকিত প্রজন্মই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় স্থানীয় মুসল্লি, মসজিদ কমিটির সদস্য ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। ড. এম এ কাইয়ুমের এই মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত সম্পৃক্ততা এলাকাবাসীর সঙ্গে ড. এম এ কাইয়ুমের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করছে।