ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণে গোলাম ফারুক খোকন

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ভয়াবহ দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি এক রাতের বেশি একটি সিম কার্ড ব্যবহার করতেন না, এমনকি নিরাপত্তার কারণে এক রাতেই তিনটি বাসা পরিবর্তন করার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তিনি।

গত ২ আগস্ট সময়ের নারায়ণগঞ্জকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

খোকনের ভাষ্য, প্রশাসনের নজরদারি এতটাই কঠোর ছিল যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করাও নিরাপদ ছিল না। তিনি বলেন, “একটি সিম কার্ড এক রাতের বেশি ব্যবহার করতে পারতাম না। ট্র্যাকিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিলেই সিম ফেলে দিতাম, কখনো মোবাইল সেটও বদলে ফেলতে হতো। রাস্তা থেকে নতুন মোবাইল কিনে অন্য কাউকে দিয়ে নতুন সিম সংগ্রহ করতাম। এক বাসায় কখনো টানা রাত কাটাতে পারিনি। এমনও হয়েছে, এক রাতেই তিনটি বাসা পরিবর্তন করেছি। পরে জানতে পেরেছি, তিনটি বাসাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়নি। “আমার দুই ছেলে কোথায় রাত কাটাতো, সেটাও জানতাম না। মাসের পর মাস বাবা-ভাই কিংবা স্ত্রীর মুখ দেখতে পারিনি, কথা বলাও সম্ভব হয়নি।”

জুলাই আন্দোলনের সময়ের পরিস্থিতি তুলে ধরে খোকন অভিযোগ করেন, মিছিলে নামলেই পুলিশ গুলি চালাত। তার দাবি, টিয়ারশেল ও প্রাণঘাতী গুলির পাশাপাশি হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়েছে। বিশেষ করে চিটাগাং রোড এলাকায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে থাকা অনেকের শরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। শত শত গুলি শরীরে লেগেছে। আমি নিজ হাতে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করেছি।”

খোকন আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জে শাওন যেদিন নিহত হয়, সেদিন আমরা সামনেই ছিলাম। কাঞ্চনে আরেকজন শহীদ হয়েছেন, চনপাড়ায়ও অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। অসংখ্য মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। শহিদুল ইসলাম টিটু ভাইয়ের চোখে সরাসরি গুলি করা হয়েছে, সেই গুলি এখনো তার চোখে রয়েছে।”

পরিবারের ওপর নির্যাতনের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা ঘরে থাকতে পারিনি। আমাদের পরিবারের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়েছে। সন্তানদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি।”

তার ভাষ্য, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। সেই সময় প্রশাসন পরিবার-পরিজনকেও হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে খোকন বলেন, “যারা শাওনকে গুলি করেছে, যারা চনপাড়া ও কাঞ্চনে মানুষ হত্যা করেছে, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বর্তমান সরকারের কাছে এটাই আমার অনুরোধ।”

জেলা যুবদল ও পরে জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাকে সরাসরি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। বর্তমান এমপি মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তাকেও চারবার অস্ত্র তাক করে ভয় দেখানো হয়েছিল। আল্লাহর রহমতে গুলি বের হয়নি। না হলে সেদিন আমরা হয়তো বেঁচে থাকতাম না।”

তিনি অভিযোগ করেন, তাদের বাড়িঘর, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়েছে এবং অসংখ্য মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। তার ভাষায়, “বর্তমানে বিএনপির পদে এলে ফুলের মালা দেওয়া হয়। কিন্তু তখন আমাদের গলায় পড়ত মামলার মালা। শত শত মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে আদালতের বারান্দায় দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছে।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে খোকন বলেন, “কারফিউ ভঙ্গের নির্দেশ এলেই মনে হতো, আজ ঘর থেকে বের হচ্ছি, কিন্তু আর হয়তো ফিরে আসতে পারব না। আমার বাড়িতে একাধিকবার গুলি চালানো হয়েছে। বৃদ্ধ বাবা-মা আতঙ্কে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমার চোখের সামনে গুলি লেগে মানুষ মারা গেছে। আমি নিজ হাতে তাদের লাশ বহন করেছি। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় রক্তে ভেসে যেত সবকিছু। সেই স্মৃতি মনে পড়লে এখনো শরীর শিউরে ওঠে।”

জুলাই আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুট করা হয়েছে এবং অসংখ্য মামলা দেওয়া হয়েছে, তারপরও তারা দল ছাড়েননি। তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খোকন বলেন, শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহতদের চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।

সাক্ষাৎকারের শেষদিকে তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির দায়িত্ব পালন করা তখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তার বাড়ির সামনে যুবলীগের কার্যালয় স্থাপন করে নজরদারি চালানো হতো এবং তার বাড়িতে যাতায়াতকারীরাও হয়রানির শিকার হতেন। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়ার বাড়িতে মিছিলের পর হামলা, ভাঙচুর এবং গুলির ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে খোকন বলেন, “তখন বিএনপির নাম উচ্চারণ করতেও মানুষ ভয় পেত। অনেক নেতাকে গুম করা হয়েছে, আমাদেরও গুমের চেষ্টা হয়েছে। সেই সময়ে বিএনপির দায়িত্ব পালন করা ছিল অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি দায়িত্ব।”

জনপ্রিয় সংবাদ

The Evolution of Chicken Shoot Game Over Time

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণে গোলাম ফারুক খোকন

প্রকাশ : ০৬:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ভয়াবহ দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি এক রাতের বেশি একটি সিম কার্ড ব্যবহার করতেন না, এমনকি নিরাপত্তার কারণে এক রাতেই তিনটি বাসা পরিবর্তন করার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তিনি।

গত ২ আগস্ট সময়ের নারায়ণগঞ্জকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

খোকনের ভাষ্য, প্রশাসনের নজরদারি এতটাই কঠোর ছিল যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করাও নিরাপদ ছিল না। তিনি বলেন, “একটি সিম কার্ড এক রাতের বেশি ব্যবহার করতে পারতাম না। ট্র্যাকিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিলেই সিম ফেলে দিতাম, কখনো মোবাইল সেটও বদলে ফেলতে হতো। রাস্তা থেকে নতুন মোবাইল কিনে অন্য কাউকে দিয়ে নতুন সিম সংগ্রহ করতাম। এক বাসায় কখনো টানা রাত কাটাতে পারিনি। এমনও হয়েছে, এক রাতেই তিনটি বাসা পরিবর্তন করেছি। পরে জানতে পেরেছি, তিনটি বাসাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়নি। “আমার দুই ছেলে কোথায় রাত কাটাতো, সেটাও জানতাম না। মাসের পর মাস বাবা-ভাই কিংবা স্ত্রীর মুখ দেখতে পারিনি, কথা বলাও সম্ভব হয়নি।”

জুলাই আন্দোলনের সময়ের পরিস্থিতি তুলে ধরে খোকন অভিযোগ করেন, মিছিলে নামলেই পুলিশ গুলি চালাত। তার দাবি, টিয়ারশেল ও প্রাণঘাতী গুলির পাশাপাশি হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়েছে। বিশেষ করে চিটাগাং রোড এলাকায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে থাকা অনেকের শরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। শত শত গুলি শরীরে লেগেছে। আমি নিজ হাতে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করেছি।”

খোকন আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জে শাওন যেদিন নিহত হয়, সেদিন আমরা সামনেই ছিলাম। কাঞ্চনে আরেকজন শহীদ হয়েছেন, চনপাড়ায়ও অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। অসংখ্য মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। শহিদুল ইসলাম টিটু ভাইয়ের চোখে সরাসরি গুলি করা হয়েছে, সেই গুলি এখনো তার চোখে রয়েছে।”

পরিবারের ওপর নির্যাতনের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা ঘরে থাকতে পারিনি। আমাদের পরিবারের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়েছে। সন্তানদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি।”

তার ভাষ্য, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। সেই সময় প্রশাসন পরিবার-পরিজনকেও হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে খোকন বলেন, “যারা শাওনকে গুলি করেছে, যারা চনপাড়া ও কাঞ্চনে মানুষ হত্যা করেছে, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বর্তমান সরকারের কাছে এটাই আমার অনুরোধ।”

জেলা যুবদল ও পরে জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাকে সরাসরি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। বর্তমান এমপি মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তাকেও চারবার অস্ত্র তাক করে ভয় দেখানো হয়েছিল। আল্লাহর রহমতে গুলি বের হয়নি। না হলে সেদিন আমরা হয়তো বেঁচে থাকতাম না।”

তিনি অভিযোগ করেন, তাদের বাড়িঘর, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়েছে এবং অসংখ্য মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। তার ভাষায়, “বর্তমানে বিএনপির পদে এলে ফুলের মালা দেওয়া হয়। কিন্তু তখন আমাদের গলায় পড়ত মামলার মালা। শত শত মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে আদালতের বারান্দায় দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছে।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে খোকন বলেন, “কারফিউ ভঙ্গের নির্দেশ এলেই মনে হতো, আজ ঘর থেকে বের হচ্ছি, কিন্তু আর হয়তো ফিরে আসতে পারব না। আমার বাড়িতে একাধিকবার গুলি চালানো হয়েছে। বৃদ্ধ বাবা-মা আতঙ্কে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমার চোখের সামনে গুলি লেগে মানুষ মারা গেছে। আমি নিজ হাতে তাদের লাশ বহন করেছি। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় রক্তে ভেসে যেত সবকিছু। সেই স্মৃতি মনে পড়লে এখনো শরীর শিউরে ওঠে।”

জুলাই আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুট করা হয়েছে এবং অসংখ্য মামলা দেওয়া হয়েছে, তারপরও তারা দল ছাড়েননি। তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খোকন বলেন, শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহতদের চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।

সাক্ষাৎকারের শেষদিকে তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির দায়িত্ব পালন করা তখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তার বাড়ির সামনে যুবলীগের কার্যালয় স্থাপন করে নজরদারি চালানো হতো এবং তার বাড়িতে যাতায়াতকারীরাও হয়রানির শিকার হতেন। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়ার বাড়িতে মিছিলের পর হামলা, ভাঙচুর এবং গুলির ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে খোকন বলেন, “তখন বিএনপির নাম উচ্চারণ করতেও মানুষ ভয় পেত। অনেক নেতাকে গুম করা হয়েছে, আমাদেরও গুমের চেষ্টা হয়েছে। সেই সময়ে বিএনপির দায়িত্ব পালন করা ছিল অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি দায়িত্ব।”