ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরায় মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা, শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ৫০

  • হাফিজুর রহমান
  • প্রকাশ : ০৪:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫১৬ বার পড়া হয়েছে

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টাকালে রাজধানীর উত্তরায় পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকায় এই সংঘর্ষে ১৯ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শনিবার সকাল ১০টার দিকে। উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট ও জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন। পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে তারা রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের চেষ্টা চালান।

এ সময় পুলিশ মহাসড়ক অবরোধে বাধা দিলে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

টানা পঞ্চম দিনের এই আন্দোলন ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই উত্তরা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে আজমপুর, রাজলক্ষ্মী ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন ছিল এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশের এপিসি ও জলকামান আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

দেশে অসংখ্য উচ্চশিক্ষিত বেকার রয়েছে: রাষ্ট্রপতি

উত্তরায় মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা, শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ৫০

প্রকাশ : ০৪:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টাকালে রাজধানীর উত্তরায় পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকায় এই সংঘর্ষে ১৯ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শনিবার সকাল ১০টার দিকে। উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট ও জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন। পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে তারা রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের চেষ্টা চালান।

এ সময় পুলিশ মহাসড়ক অবরোধে বাধা দিলে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

টানা পঞ্চম দিনের এই আন্দোলন ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই উত্তরা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে আজমপুর, রাজলক্ষ্মী ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন ছিল এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশের এপিসি ও জলকামান আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।