ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বসুন্ধরা সিটির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জমকালো আয়োজন

তারকাদের ঝলক, ফ্যাশন শো, সেলিব্রিটি ফ্ল্যাশমব ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জমকালোভাবে উদযাপিত হয়েছে দেশের অন্যতম প্রধান শপিং, লাইফস্টাইল ও এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্টিনেশন বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের লেভেল-১ অ্যাট্রিয়ামে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা।

এরপর একের পর এক ফ্যাশন শো, সেলিব্রিটি ফ্ল্যাশমব ও বিনোদনমূলক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের (বিসিডিএল) ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) ক্যাপ্টেন (অব.) শেখ এহসান রেজা।

তিনি বলেন, ২২ বছর আগে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান একটি বিশ্বমানের শপিং ডেস্টিনেশন তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন। আজ ২২ বছরের পথচলায় আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে।

শেখ এহসান রেজা বলেন, ২২ বছরের এই যাত্রা ছিল ভিশন, কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি দীর্ঘ পথচলা। বসুন্ধরা সিটি এখন শুধু একটি শপিং মল নয়; এটি ঢাকার মানুষের লাইফস্টাইলের একটি অংশ হয়ে উঠেছে। দর্শনার্থীরা এখানে শুধু কেনাকাটা করতে আসেন না, পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে মানসম্মত সময় কাটাতেও আসেন।
তিনি বলেন, ২২ বছরের এই যাত্রা সহজ ছিল না। নানা চড়াই-উতরাই ও চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে বসুন্ধরা সিটি আজকের অবস্থানে এসেছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে মলের সম্মানিত দোকান মালিক, ভাড়াটিয়া ও তাদের কর্মচারীরা পাশে ছিলেন। তাদের আন্তরিকতা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বিসিডিএলের নিবেদিতপ্রাণ টিমের কঠোর পরিশ্রম ও কমিটমেন্টের কারণেই এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন প্রসঙ্গে বিসিডিএলের ডিএমডি বলেন, এবারের আয়োজনকে প্রাণবন্ত করতে অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবশেষে তিনি সবাইকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ উপভোগের আহ্বান জানিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সেলিব্রিটি ফ্ল্যাশমব ও ফ্যাশন ফেস্ট। জনপ্রিয় তারকা বিদ্যা সিনহা মিম, সাবিলা নূর, তমা মির্জা ও জিয়াউল রোশানের অংশগ্রহণে আয়োজিত বিশেষ ফ্ল্যাশমব পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে। পাশাপাশি আলিফিয়া ডান্স টিমের প্রাণবন্ত পরিবেশনাও অনুষ্ঠানে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।

বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও বিশেষ আয়োজনের টাইটেল স্পনসর হিসেবে ছিল রেইজ বাংলাদেশ এবং পাওয়ার্ড বাই পার্টনার হিসেবে ছিল ইকিউব। তাদের সহযোগিতায় আয়োজনটি আরও বর্ণিল ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনকে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অংশগ্রহণে ১০টি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্লাবহাউস, ফ্রিল্যান্ড, ক্যাপশন, ইনফিনিটি, দুবাই বোরখা, শিশু পরিবহন, স্টানিং বাই শাহাদ, জোইস, আর্টফিট, ইরানি বোরখা, সি স্কাইসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনে বসুন্ধরা সিটির ২২ বছরের পথচলায় ক্রেতা, ব্র্যান্ড পার্টনার, ব্যবসায়িক সহযোগী, শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী, দর্শনার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

‘২২ বছরের আস্থা, ভালোবাসা ও পথচলা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক সেবা, সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা ও নতুনত্ব নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

বসুন্ধরা সিটির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জমকালো আয়োজন

প্রকাশ : ০৬:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

তারকাদের ঝলক, ফ্যাশন শো, সেলিব্রিটি ফ্ল্যাশমব ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জমকালোভাবে উদযাপিত হয়েছে দেশের অন্যতম প্রধান শপিং, লাইফস্টাইল ও এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্টিনেশন বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের লেভেল-১ অ্যাট্রিয়ামে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা।

এরপর একের পর এক ফ্যাশন শো, সেলিব্রিটি ফ্ল্যাশমব ও বিনোদনমূলক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের (বিসিডিএল) ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) ক্যাপ্টেন (অব.) শেখ এহসান রেজা।

তিনি বলেন, ২২ বছর আগে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান একটি বিশ্বমানের শপিং ডেস্টিনেশন তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন। আজ ২২ বছরের পথচলায় আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে।

শেখ এহসান রেজা বলেন, ২২ বছরের এই যাত্রা ছিল ভিশন, কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি দীর্ঘ পথচলা। বসুন্ধরা সিটি এখন শুধু একটি শপিং মল নয়; এটি ঢাকার মানুষের লাইফস্টাইলের একটি অংশ হয়ে উঠেছে। দর্শনার্থীরা এখানে শুধু কেনাকাটা করতে আসেন না, পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে মানসম্মত সময় কাটাতেও আসেন।
তিনি বলেন, ২২ বছরের এই যাত্রা সহজ ছিল না। নানা চড়াই-উতরাই ও চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে বসুন্ধরা সিটি আজকের অবস্থানে এসেছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে মলের সম্মানিত দোকান মালিক, ভাড়াটিয়া ও তাদের কর্মচারীরা পাশে ছিলেন। তাদের আন্তরিকতা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বিসিডিএলের নিবেদিতপ্রাণ টিমের কঠোর পরিশ্রম ও কমিটমেন্টের কারণেই এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন প্রসঙ্গে বিসিডিএলের ডিএমডি বলেন, এবারের আয়োজনকে প্রাণবন্ত করতে অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবশেষে তিনি সবাইকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ উপভোগের আহ্বান জানিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সেলিব্রিটি ফ্ল্যাশমব ও ফ্যাশন ফেস্ট। জনপ্রিয় তারকা বিদ্যা সিনহা মিম, সাবিলা নূর, তমা মির্জা ও জিয়াউল রোশানের অংশগ্রহণে আয়োজিত বিশেষ ফ্ল্যাশমব পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে। পাশাপাশি আলিফিয়া ডান্স টিমের প্রাণবন্ত পরিবেশনাও অনুষ্ঠানে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।

বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও বিশেষ আয়োজনের টাইটেল স্পনসর হিসেবে ছিল রেইজ বাংলাদেশ এবং পাওয়ার্ড বাই পার্টনার হিসেবে ছিল ইকিউব। তাদের সহযোগিতায় আয়োজনটি আরও বর্ণিল ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনকে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অংশগ্রহণে ১০টি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্লাবহাউস, ফ্রিল্যান্ড, ক্যাপশন, ইনফিনিটি, দুবাই বোরখা, শিশু পরিবহন, স্টানিং বাই শাহাদ, জোইস, আর্টফিট, ইরানি বোরখা, সি স্কাইসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনে বসুন্ধরা সিটির ২২ বছরের পথচলায় ক্রেতা, ব্র্যান্ড পার্টনার, ব্যবসায়িক সহযোগী, শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী, দর্শনার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

‘২২ বছরের আস্থা, ভালোবাসা ও পথচলা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক সেবা, সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা ও নতুনত্ব নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।