ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজারবাইজান-আর্মেনিয়ান সেনাদের মধ্যে কারাবাখে সংঘর্ষ, নিহত ৫

১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে সোভিয়েত শাসনের পতনের সময় আর্মেনিয়ান বাহিনী কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর আজারবাইজান ২০২০ সালে ছয় সপ্তাহের সংঘাতে বিশাল এলাকা পুনরুদ্ধার করে। সেসময় প্রাণ হারান ছয় হাজারের বেশি মানুষ। এরপর রাশিয়ান রাশিয়ান শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই এলাকায় যুদ্ধবিরতি হয়।
আজারবাইজানীয় প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান সংঘাত সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন, কিন্তু শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঞ্চল নাগর্নো-কারাবাখে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। রোববার দুই দেশ বিতর্কিত অঞ্চলটিতে সংঘর্ষে জড়ায়।
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার আজারবাইজানি সেনারা অস্ত্র বহন করছে এমন সন্দেহে একটি গাড়িবহর আটক করে। এ সময়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং দুই আজারবাইজানি সেনা নিহত হয়।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গাড়িবহরটি একটি অননুমোদিত রাস্তা ব্যবহার করায় সেটিকে আটক করা হয়।
আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গোলাগুলির ঘটনায় কারাবাখের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তিন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজারবাইজানের দাবিকে ‘অন্তঃসারশূন্য’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, গাড়িবহরটি সরকারি নথি এবং সরকারি কাজে ব্যবহৃত বন্দুক বহন করছিল।
নাগর্নো-কারাবাখ বহুদিন ধরেই আজারবাইজানের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তবে এর জনসংখ্যা প্রধানত জাতিগতভাবে আর্মেনিয়ান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

আজারবাইজান-আর্মেনিয়ান সেনাদের মধ্যে কারাবাখে সংঘর্ষ, নিহত ৫

প্রকাশ : ১১:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে সোভিয়েত শাসনের পতনের সময় আর্মেনিয়ান বাহিনী কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর আজারবাইজান ২০২০ সালে ছয় সপ্তাহের সংঘাতে বিশাল এলাকা পুনরুদ্ধার করে। সেসময় প্রাণ হারান ছয় হাজারের বেশি মানুষ। এরপর রাশিয়ান রাশিয়ান শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই এলাকায় যুদ্ধবিরতি হয়।
আজারবাইজানীয় প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান সংঘাত সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন, কিন্তু শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঞ্চল নাগর্নো-কারাবাখে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। রোববার দুই দেশ বিতর্কিত অঞ্চলটিতে সংঘর্ষে জড়ায়।
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার আজারবাইজানি সেনারা অস্ত্র বহন করছে এমন সন্দেহে একটি গাড়িবহর আটক করে। এ সময়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং দুই আজারবাইজানি সেনা নিহত হয়।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গাড়িবহরটি একটি অননুমোদিত রাস্তা ব্যবহার করায় সেটিকে আটক করা হয়।
আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গোলাগুলির ঘটনায় কারাবাখের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তিন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজারবাইজানের দাবিকে ‘অন্তঃসারশূন্য’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, গাড়িবহরটি সরকারি নথি এবং সরকারি কাজে ব্যবহৃত বন্দুক বহন করছিল।
নাগর্নো-কারাবাখ বহুদিন ধরেই আজারবাইজানের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তবে এর জনসংখ্যা প্রধানত জাতিগতভাবে আর্মেনিয়ান।