বগুড়ায় সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপ এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার হয়ে, উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো, একটি জাতীয় দৈনিকের প্রকাশক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি প্রদানের ঘটনা ঘটেছে। উক্ত ঘটনায় বগুড়াসহ সারাদেশে গনমাধ্যমকর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। স্থানীয়সহ একাধিক নের্তৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বগুড়া সদর পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডের মানিকচক গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন জিল্লারের ছেলে, ১৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শাওন কর্তৃক পরিবেশ পরিস্থিতি, মওকা বুঝে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে নাম লিখিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়ে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ণ করার সংবাদ, দেশের কয়েকটি স্বনামধন্য মূলধারার জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে মেহেদী হাসান শাওন গনমাধ্যমকর্মীদের শত্রুজ্ঞান করে, তাদেরকে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি প্রদান করে চলেছে।
‘যখন যার, তখন তার’ নীতিতে বিশ্বাসী অত্যন্ত ধুরন্ধর ও হিংস্র প্রকৃতির মেহেদী হাসান শাওন ১৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সরকারী মিডিয়া তালিকাভুক্ত একটি জাতীয় দৈনিকের প্রকাশক ও সম্পাদককে পাঠানো উকিল নোটিশে, সে কখনোও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলোনা বলে উল্লেখ করে। অথচ এলাকার বিভিন্ন দেয়ালে সাঁটানো পোস্টার, ব্যানার কিংবা বিভিন্ন দাওয়াতপত্রে তার পদবী উল্লেখ করা রয়েছে যুবলীগের বগুড়া পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে নিজেকে যুবলীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে, কিশোর গ্যাংয়ের নের্তৃত্ব প্রদানকারী মেহেদী হাসান শাওন স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতার ছত্রচ্ছায়ায় নিজেকে যুবদলের নেতা পরিচয় দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেই থেমে নেই। গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ১০/১৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মানিকচক বাজারের একটি কার্টুন ফ্যাক্টরিতে দুইজন নারীকে জোরপূর্বক পথরোধ করে উঠিয়ে নিয় গণধর্ষণ করার ঘটনায়, তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করা হয়। কিন্তু গনমাধ্যমকর্মী তথা সাংবাদিকদের কারণেই তার এমন দ্বিমুখী চাতুরীর খবর এখন টক অব দ্য বগুড়ায় পরিণত হয়েছে এবং সে বিএনপির মতো একটি জনপ্রিয় দল থেকে বহিষ্কার হয়েছে বলে অনুমান করে, তার যতো ক্ষোভ ঝাড়ছে পত্রিকা ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। তার মতো একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীর এহেন আচড়নে স্থানীয় সাংবাদিকরা মুক্ত ও স্বাধীনভাবে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তাকে বহিষ্কারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বগুড়া শাখা ‘দুষ্টের দমন, আর শিষ্টের লালন’ নীতির বাস্তবায়ন করায়, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। ভবিষ্যতে মেহেদী হাসান শাওনের মতো এমন খোলস পাল্টানো, ‘পোষ্টার নেতা’কে যেনো কোনওভাবেই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের পতাকাতলে আসার সুযোগ না দেওয়া হয়, এমন জোর দাবী জানিয়েছে সবে। প্রকাশক ও সম্পাদককে উকিল নোটিশ পাঠিয়ে মামলা করার হুমকির ঘটনায় জেলার সাংবাদিকমহল মেহেদী হাসান শাওনের ন্যাক্কারজনক ছলচাতুরির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
প্রথম ভোর ডেস্ক 



















