ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বকশীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ জনের ফাঁসি

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন একজন। সোমবার বেলা ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম এবং আসমত। খালাস পাওয়া আসামির নাম ইদ্রিস আলী। সবাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। পিপি ফজলুল হক বলেন, ‘‘২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ শেরপুরের ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জে ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন।’’

তিনি বলেন, “পথে কয়েকজন ইজিবাইক থামিয়ে গৃহবধূকে একটি ভ্যানে তুলে নেন। পরে তাকে উপজেলার নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ার এক ব্যক্তির বাড়ির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান তারা।” ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেন বলে জানান পিপি ফজলুল।

তিনি বলেন, ‘‘মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে পুলিশ।’’ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক।

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ জনের ফাঁসি

প্রকাশ : ০৬:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন একজন। সোমবার বেলা ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম এবং আসমত। খালাস পাওয়া আসামির নাম ইদ্রিস আলী। সবাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। পিপি ফজলুল হক বলেন, ‘‘২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ শেরপুরের ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জে ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন।’’

তিনি বলেন, “পথে কয়েকজন ইজিবাইক থামিয়ে গৃহবধূকে একটি ভ্যানে তুলে নেন। পরে তাকে উপজেলার নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ার এক ব্যক্তির বাড়ির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান তারা।” ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেন বলে জানান পিপি ফজলুল।

তিনি বলেন, ‘‘মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে পুলিশ।’’ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক।