ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

পশ্চিম এশিয়া সংকটে সার, জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকিতে থাকা পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করতে বাংলাদেশের জন্য ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

বাংলাদেশের দুটি প্রকল্পের জন্য এ ঋণ অনুমোদনের কথা শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জরুরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় ৩০ কোটি ডলার অর্থায়ন করা হবে। এই অর্থ আগামী আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে সহায়তা করবে।

এছাড়া জরুরি সাড়াদান প্রকল্পের আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ঋণ দেবে বিশ্ব ব্যাংক। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঝুঁকিতে থাকা পরিবার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে নগদ সহায়তা দিতে এ অর্থ কাজে দেবে। তাতে সংকটের সময়েও চাকরি বা কর্মসংস্থান টিকে থাকবে এবং মানুষের আয়-রোজগার সচল থাকবে।

তাছাড়া খাবার, ওষুধ, চিকিৎসার সরঞ্জাম, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবাগুলো যেন চালু থাকে, সেজন্য প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস আমদানির ব্যয়ও এই প্রকল্প মেটানো হবে। এ প্রকল্পের পুরো অর্থ আগামী বুধবারের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে বলে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

Digital Marketing Trends That Still Matter in 2026

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রকাশ : ০৫:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পশ্চিম এশিয়া সংকটে সার, জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকিতে থাকা পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করতে বাংলাদেশের জন্য ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

বাংলাদেশের দুটি প্রকল্পের জন্য এ ঋণ অনুমোদনের কথা শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জরুরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় ৩০ কোটি ডলার অর্থায়ন করা হবে। এই অর্থ আগামী আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে সহায়তা করবে।

এছাড়া জরুরি সাড়াদান প্রকল্পের আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ঋণ দেবে বিশ্ব ব্যাংক। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঝুঁকিতে থাকা পরিবার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে নগদ সহায়তা দিতে এ অর্থ কাজে দেবে। তাতে সংকটের সময়েও চাকরি বা কর্মসংস্থান টিকে থাকবে এবং মানুষের আয়-রোজগার সচল থাকবে।

তাছাড়া খাবার, ওষুধ, চিকিৎসার সরঞ্জাম, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবাগুলো যেন চালু থাকে, সেজন্য প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস আমদানির ব্যয়ও এই প্রকল্প মেটানো হবে। এ প্রকল্পের পুরো অর্থ আগামী বুধবারের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে বলে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে।