ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৭ বছর পুলিশ পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে: আইজিপি

পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাদের সময়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণেই আজকের সংগঠিত পুলিশ বাহিনী গড়ে উঠেছে।

আলী হোসেন ফকির বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশকে ‘পেটোয়া বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করায় বাহিনীটি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। তবে বর্তমানে সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে পুলিশ আবারও জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বাহিনীতে শৃঙ্খলাও ধীরে ধীরে ফিরে আসছে।

তিনি বলেন, আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ করে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই বিপ্লব পুলিশ সদস্যদের, যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমনে, আমাদের প্রতিটি সদস্য নিরলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এ পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যরা তাদের সাহস নিষ্ঠা পেশাদারত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

মাদক আমাদের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

এরই মধ্যে আপনারা দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ভিতরে সম্পৃক্ত ছিল তাদের আইনের আনা হয়েছে। পুরস্কার প্রাপ্তির সুযোগ একটি স্বীকৃতি নয়। এটি দায়িত্ববোধ পেশাব উৎকর্ষ নেতৃত্বের প্রতিক। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো নিষ্ঠা, সততা সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

এসময় সব পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যকে অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, পুলিশের সব সদস্যকে দেশের কল্যাণে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ও মরক্কো সফরে গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১৭ বছর পুলিশ পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে: আইজিপি

প্রকাশ : ০৭:২০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাদের সময়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণেই আজকের সংগঠিত পুলিশ বাহিনী গড়ে উঠেছে।

আলী হোসেন ফকির বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশকে ‘পেটোয়া বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করায় বাহিনীটি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। তবে বর্তমানে সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে পুলিশ আবারও জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বাহিনীতে শৃঙ্খলাও ধীরে ধীরে ফিরে আসছে।

তিনি বলেন, আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ করে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই বিপ্লব পুলিশ সদস্যদের, যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমনে, আমাদের প্রতিটি সদস্য নিরলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এ পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যরা তাদের সাহস নিষ্ঠা পেশাদারত্বের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

মাদক আমাদের যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

এরই মধ্যে আপনারা দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ভিতরে সম্পৃক্ত ছিল তাদের আইনের আনা হয়েছে। পুরস্কার প্রাপ্তির সুযোগ একটি স্বীকৃতি নয়। এটি দায়িত্ববোধ পেশাব উৎকর্ষ নেতৃত্বের প্রতিক। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো নিষ্ঠা, সততা সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

এসময় সব পুরস্কারপ্রাপ্ত সদস্যকে অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি বলেন, পুলিশের সব সদস্যকে দেশের কল্যাণে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।