ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উত্তরার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের জানাজা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন

রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে এক ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শিশুসহ ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যসহ ছয়টি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে সকালেই দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি পরিদর্শন করেন এবং নিহতদের জানাজায় অংশ নেন ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও জনপ্রিয় জননেতা এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

নিহতদের পরিচয় অগ্নিকাণ্ডে নিহতরা হলেন— ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তাঁর স্ত্রী আফরোজা আক্তার, তাঁদের দুই বছর বয়সী শিশুসন্তান মো. রিশান, কিশোরী রোদেলা আক্তার (১৪), মো. হারিছ (৫২) এবং তাঁর ছেলে মো. রাহাব (১৭)।

আগুন ও উদ্ধার অভিযান ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ জানান, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে সকাল ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় তলার একটি রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে এটি গ্যাসের লিকেজ নাকি শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এস এম জাহাঙ্গীরের শোক ও সমবেদনা অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই নির্বাচনী গণসংযোগ স্থগিত রেখে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনের কক্ষগুলো পরিদর্শন করেন এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। পরে তিনি নিহতদের জানাজায় শরিক হন।

এ সময় আবেগপ্লুত কণ্ঠে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “এই মর্মান্তিক দৃশ্য কোনোভাবেই সহ্য করার মতো নয়। একটি সাজানো পরিবার নিমেষেই শেষ হয়ে গেল। এই শোক প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

হাসপাতালে মরদেহ ও পরবর্তী প্রক্রিয়া নিহত ছয়জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পুলিশের একাধিক দল আহতদের তালিকা এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ উপজেলার একটি ইউনিয়নে চালু হবে ফ্যামিলি কার্ড

উত্তরার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের জানাজা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন

প্রকাশ : ১০:০১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে এক ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শিশুসহ ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যসহ ছয়টি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে সকালেই দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি পরিদর্শন করেন এবং নিহতদের জানাজায় অংশ নেন ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও জনপ্রিয় জননেতা এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

নিহতদের পরিচয় অগ্নিকাণ্ডে নিহতরা হলেন— ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তাঁর স্ত্রী আফরোজা আক্তার, তাঁদের দুই বছর বয়সী শিশুসন্তান মো. রিশান, কিশোরী রোদেলা আক্তার (১৪), মো. হারিছ (৫২) এবং তাঁর ছেলে মো. রাহাব (১৭)।

আগুন ও উদ্ধার অভিযান ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ জানান, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে সকাল ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় তলার একটি রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে এটি গ্যাসের লিকেজ নাকি শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এস এম জাহাঙ্গীরের শোক ও সমবেদনা অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই নির্বাচনী গণসংযোগ স্থগিত রেখে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনের কক্ষগুলো পরিদর্শন করেন এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। পরে তিনি নিহতদের জানাজায় শরিক হন।

এ সময় আবেগপ্লুত কণ্ঠে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “এই মর্মান্তিক দৃশ্য কোনোভাবেই সহ্য করার মতো নয়। একটি সাজানো পরিবার নিমেষেই শেষ হয়ে গেল। এই শোক প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

হাসপাতালে মরদেহ ও পরবর্তী প্রক্রিয়া নিহত ছয়জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পুলিশের একাধিক দল আহতদের তালিকা এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ করছে।