ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের নায়েবে আমিরসহ ৭ জন রিমান্ডে

সরকারি কাজে বাধা ও ক্ষতিসাধনের মামলায় জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. তাহেরসহ সাতজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২৪ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্য আসামিরা হলেন ড্যাবের সাবেক সভাপতি ডা. মো. সালেহ উদ্দিন সাঈদ, জামায়াতের শ্যামপুর থানার সেক্রেটারি মো. কামরুল আহসান রিপন, জামায়াত নেতা আলহাজ মো. মোবারক হোসেন, মোহাম্মদ আলী ও মেহেদী হাসান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কোটা আন্দোলন ঘিরে ২০ জুলাই নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও দুষ্কৃতকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটায়।
আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যে আনুমানিক তিন-চারশজন দুষ্কৃতকারী শংকর বাসস্ট্যান্ডে রাস্তার উভয় পাশে বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ডের ১৫৫টি লোহার রেলিং ল্যামপোস্ট সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমণ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে একটি পিকআপ ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত আসনে জামায়াত জোট প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ

জামায়াতের নায়েবে আমিরসহ ৭ জন রিমান্ডে

প্রকাশ : ০৯:১৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

সরকারি কাজে বাধা ও ক্ষতিসাধনের মামলায় জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. তাহেরসহ সাতজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২৪ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্য আসামিরা হলেন ড্যাবের সাবেক সভাপতি ডা. মো. সালেহ উদ্দিন সাঈদ, জামায়াতের শ্যামপুর থানার সেক্রেটারি মো. কামরুল আহসান রিপন, জামায়াত নেতা আলহাজ মো. মোবারক হোসেন, মোহাম্মদ আলী ও মেহেদী হাসান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কোটা আন্দোলন ঘিরে ২০ জুলাই নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও দুষ্কৃতকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটায়।
আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যে আনুমানিক তিন-চারশজন দুষ্কৃতকারী শংকর বাসস্ট্যান্ডে রাস্তার উভয় পাশে বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ডের ১৫৫টি লোহার রেলিং ল্যামপোস্ট সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমণ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে একটি পিকআপ ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেন।