গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তার অভিষেককে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও গণতন্ত্রের পক্ষে অবিচল থাকার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান শেষে দেওয়া এক অভিনন্দন বার্তায় এমপি দিপু এসব কথা বলেন।
অভিনন্দন বার্তায় এমপি দিপু বলেন, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাই। তার এই নির্বাচিত হওয়া দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্যেও তিনি গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন থেকেছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে সাহস, ধৈর্য, ত্যাগ ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিষেক তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও ত্যাগের একটি অনন্য স্বীকৃতি। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সাংবিধানিক কাঠামো সম্পর্কে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এমপি দিপু বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতায় দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরও সুসংহত হবে। একই সঙ্গে আইনের শাসন, মানবাধিকার, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের প্রত্যাশা একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনের শাসনভিত্তিক বাংলাদেশ। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেই প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’
নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও ভারসাম্য আরও জোরদার হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
বার্তার শেষাংশে এমপি দিপু মহান আল্লাহর কাছে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করেন। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণে রাষ্ট্রপতির মহান দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে তাকে তৌফিক দানের প্রার্থনা জানান।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 


















