ঢাকা-১১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির নেতা, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণবিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন, মশক নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়নই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের কল্যাণে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, ডিএনসিসির প্রশাসক এলাকার উন্নয়নে যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন, সেগুলো বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রতিটি এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের চলমান কার্যক্রমের প্রশংসা করে ড. কাইয়ুম বলেন, নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসক মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে জলাবদ্ধতা নিরসন, মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে, যা ইতিবাচক উদ্যোগ।
ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, নাগরিক সেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার এবং পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণই তাঁদের মূল লক্ষ্য। প্রতিটি ওয়ার্ড নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, মশা নিয়ন্ত্রণ, সড়ক সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসক আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম শতভাগ সফল করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়ন, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 


















