ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের (শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক এ এইচ এম শফিকুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান।

দণ্ডপ্রাপ্ত জহির রায়হান (৩২) সদর উপজেলার বাসিন্দা। মামলার বরাতে আইনজীবী বলেন, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে জহির উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি ছাত্রীর পরিবার জহিরের পরিবার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানায়। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন।

২০১৮ সালের ৩ মার্চ রাতে ছাত্রীর বাবা-মা ওয়াজ শুনতে যান। তখন বাড়িতে ওই ছাত্রী একা ছিলেন। এই সুযোগে জহির বাড়িতে ঢুকে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে জহিরকে আটক করে পুলিশে দেন।

এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা জহিরের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এসআই আনোয়ারুল ইসলাম ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল ২০০০ (সংশোধনী-৩) সালের ৯ (১) ধারার জহিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। মামলা চলাকালে জহির জামিন নিয়ে পলাতক হন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাবাস দিয়েছে আদালত।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ সদর কোর্ট পরিদর্শনে ঢাকা রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশ : ০৫:১৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের (শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক এ এইচ এম শফিকুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান।

দণ্ডপ্রাপ্ত জহির রায়হান (৩২) সদর উপজেলার বাসিন্দা। মামলার বরাতে আইনজীবী বলেন, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে জহির উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি ছাত্রীর পরিবার জহিরের পরিবার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানায়। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন।

২০১৮ সালের ৩ মার্চ রাতে ছাত্রীর বাবা-মা ওয়াজ শুনতে যান। তখন বাড়িতে ওই ছাত্রী একা ছিলেন। এই সুযোগে জহির বাড়িতে ঢুকে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে ছাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে জহিরকে আটক করে পুলিশে দেন।

এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা জহিরের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এসআই আনোয়ারুল ইসলাম ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল ২০০০ (সংশোধনী-৩) সালের ৯ (১) ধারার জহিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। মামলা চলাকালে জহির জামিন নিয়ে পলাতক হন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাবাস দিয়েছে আদালত।