ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দোহায় মার্কিন-ইরানি কর্মকর্তাদের বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাকারী দলগুলোর এই সপ্তাহে দোহায় বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু ইরান সোমবার (৩০ জুন) জানায় যে কোনো বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ সপ্তাহান্তে উভয়পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে করা অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতিকে পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং তার দূত স্টিভ উইটকফকে আলোচনাকারী দলের নেতৃত্ব দিতে পাঠাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। অন্যদিকে, ইরান এই সপ্তাহে তাদের কারিগরি প্রতিনিধিদল কাতারে পাঠালেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি বলেন, এর সঙ্গে মার্কিনিদের সফরের ‘কোনো সম্পর্ক নেই’ এবং দুই পক্ষের মধ্যে কোনো পর্যায়েই কোনো আলোচনা নির্ধারিত নয়।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই কোনো আলোচনা করব না। দুই পক্ষ আদৌ বৈঠকে বসবে কি না, তা নিয়ে এই মতপার্থক্য ১৭ জুনের সেই চুক্তির ভঙ্গুরতাকেই তুলে ধরেছে, যার উদ্দেশ্য ছিল চার মাসব্যাপী সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত করা। এই সংঘাত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেলের প্রবাহে বিঘ্ন ঘটিয়েছে এবং নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কংগ্রেস নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতার জন্য ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে নিজেদের অন্তত ৬০ দিন সময় দিয়েছে। তবে এর অগ্রগতি খুবই ধীর এবং উভয়পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সম্মত শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে।

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয় সংবাদ

দোহায় মার্কিন-ইরানি কর্মকর্তাদের বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা

প্রকাশ : ০৪:৩২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাকারী দলগুলোর এই সপ্তাহে দোহায় বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু ইরান সোমবার (৩০ জুন) জানায় যে কোনো বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ সপ্তাহান্তে উভয়পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে করা অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতিকে পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং তার দূত স্টিভ উইটকফকে আলোচনাকারী দলের নেতৃত্ব দিতে পাঠাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। অন্যদিকে, ইরান এই সপ্তাহে তাদের কারিগরি প্রতিনিধিদল কাতারে পাঠালেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি বলেন, এর সঙ্গে মার্কিনিদের সফরের ‘কোনো সম্পর্ক নেই’ এবং দুই পক্ষের মধ্যে কোনো পর্যায়েই কোনো আলোচনা নির্ধারিত নয়।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই কোনো আলোচনা করব না। দুই পক্ষ আদৌ বৈঠকে বসবে কি না, তা নিয়ে এই মতপার্থক্য ১৭ জুনের সেই চুক্তির ভঙ্গুরতাকেই তুলে ধরেছে, যার উদ্দেশ্য ছিল চার মাসব্যাপী সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত করা। এই সংঘাত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেলের প্রবাহে বিঘ্ন ঘটিয়েছে এবং নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কংগ্রেস নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতার জন্য ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে নিজেদের অন্তত ৬০ দিন সময় দিয়েছে। তবে এর অগ্রগতি খুবই ধীর এবং উভয়পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সম্মত শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে।

সূত্র: রয়টার্স