ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং একই এলাকায় আরও দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে পলাতক চার আসামির মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় রামপুরা থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ মামলার গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘোষণার সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ অন্য প্রসিকিউটররা। আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। বাংলাদেশ টেলিভিশন রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলায় তিনটি অভিযোগ আনা হয়। সেগুলো হলো- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় মো. নাদিম হোসেনকে গুলি করে হত্যা, একই দিন বনশ্রীর একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করে গুরুতর আহত করা এবং ওই দিন বিকেলে বনশ্রী এলাকায় সাত বছর বয়সী বাসিত খান মুসার মাথা ভেদ করে যাওয়া গুলিতে তার দাদি মায়া ইসলামকে হত্যা করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ১৩৩ উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ করলেন এমপি দিপু ভূঁইয়া

কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ : ০৫:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং একই এলাকায় আরও দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে পলাতক চার আসামির মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় রামপুরা থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ মামলার গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘোষণার সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ অন্য প্রসিকিউটররা। আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। বাংলাদেশ টেলিভিশন রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলায় তিনটি অভিযোগ আনা হয়। সেগুলো হলো- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় মো. নাদিম হোসেনকে গুলি করে হত্যা, একই দিন বনশ্রীর একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করে গুরুতর আহত করা এবং ওই দিন বিকেলে বনশ্রী এলাকায় সাত বছর বয়সী বাসিত খান মুসার মাথা ভেদ করে যাওয়া গুলিতে তার দাদি মায়া ইসলামকে হত্যা করা।