বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, ফকিরখালী বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। এই এলাকার মানুষ যতবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই তারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। যারা রাজাকারদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তাদের শত ষড়যন্ত্র ফকিরখালীর জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেবে। ফকিরখালী এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম।
তিনি বলেন, রাজাকারেরা ছিল স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। ১৯৭১ সালে তারা তিন লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি করেছে এবং ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যায় সহযোগিতা করেছে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী এই অপশক্তির বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো ঠাঁই নেই। ভোটের মাধ্যমেই জনগণ এবার তাদের প্রতিহত করবে।
ড. কাইয়ুম অভিযোগ করে বলেন, একটি মহল ইসলামের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। অথচ হেফাজতে ইসলামের আমির নিজেই বলেছেন জামায়াতে ইসলাম কোনো ইসলামী দল নয় এবং কোনো মুসলমান যদি জামায়াতে ইসলামকে ভোট দেয়, তা হারাম হবে। এটি প্রমাণ করে যে ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে ভোটারবিহীন সরকার কায়েম ছিল। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এর ফলে ফকিরখালীসহ এই এলাকার কোনো বাস্তব উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান সব ক্ষেত্রেই এলাকাটি অবহেলিত থেকেছে।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ইনশাআল্লাহ এবার জনগণের সামনে সুযোগ এসেছে। ধানের শীষে ভোট দিয়ে ফকিরখালীকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ এসেছে।
বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
ফকিরখালীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. কাইয়ুম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একটি ভোটই পারে এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের রুখে দিতে।
তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য সবাই মিলেমিশে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে ফকিরখালীর সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 










