ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-১১ আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত ড. এম এ কাইয়ুম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো রাজধানীতেও প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনী প্রচারণায়।

এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম রাজধানীর বাড্ডা সাতারকুল এলাকায় গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন।

আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত এই গণসংযোগে ড. এম এ কাইয়ুম সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় এলাকাবাসী তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, প্রত্যাশা ও বঞ্চনার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরেন। গণসংযোগে স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

গণসংযোগকালে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আমি ঢাকা-১১ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে চাই। এই এলাকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করাই আমার রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-১১ আসনের মানুষ নিরাপত্তাহীনতা, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও অব্যবস্থাপনার শিকার।
“এই এলাকার মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়, নিরাপদ পরিবেশে সন্তানদের বড় করতে চায়। আমি সেই নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে দিতে চাই,” বলেন তিনি।

নির্বাচিত হলে ঢাকা-১১ আসনকে একটি আদর্শ মডেল আসন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন,
“ঢাকা-১১ হবে এমন একটি আসন, যেখানে থাকবে না কোনো ধর্মীয় বা বর্ণভিত্তিক বৈষম্য। এখানে সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবাই সমান এই নীতিই হবে আমার রাজনীতির ভিত্তি।”

ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও গণমানুষের নেতা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্যের রাজনীতির মাধ্যমেই একটি টেকসই ও মানবিক সমাজ গড়া সম্ভব।
“ধর্ম, বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ বঞ্চিত হবে না। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমি একটি মানবিক ঢাকা-১১ গড়ে তুলতে চাই,”—যোগ করেন তিনি।

গণসংযোগে ড. এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
“আমি জনগণের ভোট ও ভালোবাসা নিয়ে সংসদে যেতে চাই। ক্ষমতার জন্য নয়, দায়িত্ব পালনের জন্যই আমার এই নির্বাচন।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঢাকা-১১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের জন্য তারা ঐক্যবদ্ধ।
“এই আসনের মানুষ যদি আমাকে সুযোগ দেয়, আমি তাদের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে চাই। কথা দিয়ে কথা রাখার রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি,” বলেন তিনি।

গণসংযোগকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, ড. এম এ কাইয়ুম নিয়মিত মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, যা নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে: আবদুল আউয়াল মিন্টু

ঢাকা-১১ আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত ড. এম এ কাইয়ুম

প্রকাশ : ১০:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো রাজধানীতেও প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনী প্রচারণায়।

এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম রাজধানীর বাড্ডা সাতারকুল এলাকায় গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন।

আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত এই গণসংযোগে ড. এম এ কাইয়ুম সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় এলাকাবাসী তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, প্রত্যাশা ও বঞ্চনার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরেন। গণসংযোগে স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

গণসংযোগকালে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আমি ঢাকা-১১ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে চাই। এই এলাকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করাই আমার রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-১১ আসনের মানুষ নিরাপত্তাহীনতা, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও অব্যবস্থাপনার শিকার।
“এই এলাকার মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়, নিরাপদ পরিবেশে সন্তানদের বড় করতে চায়। আমি সেই নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে দিতে চাই,” বলেন তিনি।

নির্বাচিত হলে ঢাকা-১১ আসনকে একটি আদর্শ মডেল আসন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন,
“ঢাকা-১১ হবে এমন একটি আসন, যেখানে থাকবে না কোনো ধর্মীয় বা বর্ণভিত্তিক বৈষম্য। এখানে সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবাই সমান এই নীতিই হবে আমার রাজনীতির ভিত্তি।”

ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও গণমানুষের নেতা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্যের রাজনীতির মাধ্যমেই একটি টেকসই ও মানবিক সমাজ গড়া সম্ভব।
“ধর্ম, বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ বঞ্চিত হবে না। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমি একটি মানবিক ঢাকা-১১ গড়ে তুলতে চাই,”—যোগ করেন তিনি।

গণসংযোগে ড. এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
“আমি জনগণের ভোট ও ভালোবাসা নিয়ে সংসদে যেতে চাই। ক্ষমতার জন্য নয়, দায়িত্ব পালনের জন্যই আমার এই নির্বাচন।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ঢাকা-১১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের জন্য তারা ঐক্যবদ্ধ।
“এই আসনের মানুষ যদি আমাকে সুযোগ দেয়, আমি তাদের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে চাই। কথা দিয়ে কথা রাখার রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি,” বলেন তিনি।

গণসংযোগকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, ড. এম এ কাইয়ুম নিয়মিত মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, যা নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।