দ্বীপ জেলা ভোলার সঙ্গে সড়কপথে সংযোগ ঘটাতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা পথে মহাসড়ক নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২১ আগস্ট) তার তেজগাঁওয়ে কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ সংক্রান্ত সভায় সরকারপ্রধান এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
উপ প্রেস সচিব শিপলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বৈঠকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্তকরণ, নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
হাসান শিপলু বলেন, বৈঠকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পে বাস্তবায়ন হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ—দুটিই কমবে। হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ–ভোলা রুটের বড় সুবিধা হল—দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।
এ উপ প্রেস সচিবের ভাষ্য, নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 


















