ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার: জ্বালানিমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জ্বালানি আমদানিতে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এনডিপি) আয়োজনে ‘উন্নয়নের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানির ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। জ্বালানিমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, আগের সরকার সমুদ্রসীমা অর্জনের কৃতিত্ব পেলেও সামুদ্রিক জ্বালানি সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করতে পারেনি। অথচ প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে চলতি বাজেটে কর-সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে মেট্রোরেল আনতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছি: এমপি দিপু

জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার: জ্বালানিমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৫:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জ্বালানি আমদানিতে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এনডিপি) আয়োজনে ‘উন্নয়নের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানির ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। জ্বালানিমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, আগের সরকার সমুদ্রসীমা অর্জনের কৃতিত্ব পেলেও সামুদ্রিক জ্বালানি সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করতে পারেনি। অথচ প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে চলতি বাজেটে কর-সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।