ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবন দেব কিন্তু ‘২৪’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আল্লাহর কসম, জীবন দেব কিন্তু ‘২৪’ হারিয়ে যেতে দেব না। আমরা লজ্জিত, কারণ প্রতিবার সাধারণ মানুষ, ছাত্র, তরুণ, যুবক, শ্রমিক জীবন দিয়ে অর্জন এনে দেওয়ার পর কিছু লুটেরা সেই অর্জন ছিনিয়ে নেয়। আজও ২০২৪-এর অর্জন হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিবির মিলনায়তনে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আজ যে সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে, সবাই স্বীকার করেন এটি ২০২৪-এর ফসল। অথচ কেউ কেউ বলতে চান, ২০২৪ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, আগের অংশটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তো কখনো বলিনি আগের অংশ গুরুত্বপূর্ণ নয়। সেই সময়েই তো আমরা আমাদের ১১ জন শীর্ষ নেতাকে হারিয়েছি। শত শত সহকর্মীকে হারিয়েছি। অসংখ্য মানুষ কারাগারে গেছেন, চাকরি হারিয়েছেন, বাড়িঘরে থাকতে পারেননি। আমরা সেই ত্যাগ অস্বীকার করি না। কিন্তু এটাও সত্য, ২০২৪ না হলে আজ আমি এখানে বক্তৃতা দিতে পারতাম না, বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না, সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। একইভাবে তারেক রহমানও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না।

সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিছু মন্ত্রী দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেন। সংসদের ভেতরেও বলেন, টকশোতেও বলেন। আমরা যখন এসব বিষয় সংসদে উত্থাপন করি, তখন বলা হয় এগুলো সংসদের বাইরের বিষয়। অথচ আমাদের আঘাত করতে গেলে আধা শতাব্দী আগের ঘটনাও টেনে আনা হয়।

একটি প্রবাদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিংড়ি মাছ লাফ দিলে পেছনের দিকে যায়। সামনে রাস্তা খুঁজে পায় না। জাতি যদি সবসময় পেছনের দিকেই তাকিয়ে থাকে, তাহলে সামনে এগোবে কীভাবে? আমরা সবসময় বলেছি, আসুন সামনে তাকাই। ২০২৪ এর যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়ন করি।

শফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের তরুণরা বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিল। তারা চেয়েছিল সবার অধিকার নিশ্চিত হোক, দুর্নীতি দূর হোক, চাঁদাবাজির কবল থেকে দেশ মুক্ত হোক, আদালতে মানুষ ন্যায়বিচার পাক। তারা ভিক্ষা চায়নি, তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আজ বড় বড় কথা শুনছি, কাজের বেলায় তার প্রতিফলন দেখছি না।

সংসদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আপনারা সংসদ দেখেন, কারণ আপনারা এটিকে মজলুম মানুষের সংসদ মনে করেন। সেখানে মজলুম মানুষের প্রতিনিধি জনগণের জন্য কী বলেন, তা জানার আগ্রহ আপনাদের আছে। জনগণই শেষ পর্যন্ত বিবেক দিয়ে সবকিছুর মূল্যায়ন করবেন।

জামায়াত আমির বলেন, সবচেয়ে বড় দাবি ছিল, ফ্যাসিবাদ যেন আর বাংলাদেশে ফিরে না আসে। এজন্য রাষ্ট্র সংস্কার প্রয়োজন ছিল। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রয়োজন ছিল। অতীতের পচা রাজনীতিকে বিদায় দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন ছিল। কেউ কেউ বলেছেন, গণভোট সংবিধানে নেই। আবার কেউ বলেছেন, চারটি প্রশ্ন এত জটিল ছিল যে বুঝতেই চার ঘণ্টা লাগে। তাহলে জনগণ কীভাবে ভোট দিল? আমি বলি, এই চারটি প্রশ্ন তো আগেই প্রচার করা হয়েছিল, সব গণমাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। তাহলে কি আপনারা বলতে চান, বুদ্ধি শুধু আপনাদের আছে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের নেই? এটা জাতিকে অপমান করার শামিল। আমি মূর্খ হতে পারি, কিন্তু আমার জাতি মূর্খ নয়।

তিনি বলেন, চারটি প্রশ্ন যদি মানুষ বুঝতে না পারে, তাহলে ৩১টি প্রশ্ন কীভাবে বুঝবে? এগুলো সব গোঁজামিল ও ভাওতাবাজি। ইতোমধ্যে একজন বলেছেন, ভোটটা হয়ে যাক, তাই সবকিছু আগে মেনে নিয়েছিলাম। আরেকজন বলেছেন, টোল মওকুফের কথা বলা হয়েছিল ভোট পাওয়ার জন্য। রাজনীতিবিদরা যদি এভাবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেন, তাহলে দেশের মানুষ যাবে কোথায়? যারা দেশ চালাবেন, আইন করবেন, তাদের ন্যূনতম নৈতিক মানদণ্ড থাকা উচিত।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে সবাই গণভোটের পক্ষে ছিলেন। জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ হ্যাঁ বলেছেন। এখন বলা হচ্ছে, ৫১ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে, তাই ৭০ শতাংশ গণরায় মানা হবে না। আমি জানতে চাই, ৫১ বড়, নাকি ৭০ বড়? ভোট কীভাবে পেয়েছেন, সেই বিতর্ক ইতিহাসে থেকেই যাবে। সাড়ে তিন ঘণ্টা ব্ল্যাকআউট করে কী করা হয়েছে, জনগণ তা জানে। সময়মতো ইতিহাস সবকিছুর বিচার করবে।

সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন আমাদেরও বলা হচ্ছে, আপনারাও আসুন, এই অগ্রাহ্যের মিছিলে শরিক হোন। সংসদে আমাদের সংবিধান শেখানো হয়। আমি জানতে চাই, সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে কোনো কমিটি সংবিধানের কোথাও আছে কি? যদি না থাকে, তাহলে এটি কেন? এটি জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, গণভোটকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেছি। জনগণের রায়কে অপমান করতে চাইলে করুন, জনগণই তার বিচার করবে। আমরা জনগণের সঙ্গে আছি, জনগণের রায়ের পক্ষে আছি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। আমাদের বিশ্বাস, ইনশাআল্লাহ ৭০ শতাংশ মানুষের গণরায় বৃথা যাবে না, তা বাস্তবায়িত হবেই।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেকেই প্রতিবেশী দেশ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। আমরাই একমাত্র দল, যাদের তারা পছন্দ করে না। তারা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলকে ভারতের মাটিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, শুধু জামায়াতে ইসলামীর জন্য লাল কার্ড। কিন্তু আমরা সেই লাল কার্ডের পরোয়া করি না। ভারতের মাটিতে আশ্রয় নেওয়ার চিন্তাও আমরা করি না। এই দেশই আমাদের দেশ। আমাদের আশ্রয়ের জায়গা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অন্তর।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠনের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি দিপুর ডিও লেটার

জীবন দেব কিন্তু ‘২৪’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির

প্রকাশ : ০৫:৪২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আল্লাহর কসম, জীবন দেব কিন্তু ‘২৪’ হারিয়ে যেতে দেব না। আমরা লজ্জিত, কারণ প্রতিবার সাধারণ মানুষ, ছাত্র, তরুণ, যুবক, শ্রমিক জীবন দিয়ে অর্জন এনে দেওয়ার পর কিছু লুটেরা সেই অর্জন ছিনিয়ে নেয়। আজও ২০২৪-এর অর্জন হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিবির মিলনায়তনে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আজ যে সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে, সবাই স্বীকার করেন এটি ২০২৪-এর ফসল। অথচ কেউ কেউ বলতে চান, ২০২৪ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, আগের অংশটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তো কখনো বলিনি আগের অংশ গুরুত্বপূর্ণ নয়। সেই সময়েই তো আমরা আমাদের ১১ জন শীর্ষ নেতাকে হারিয়েছি। শত শত সহকর্মীকে হারিয়েছি। অসংখ্য মানুষ কারাগারে গেছেন, চাকরি হারিয়েছেন, বাড়িঘরে থাকতে পারেননি। আমরা সেই ত্যাগ অস্বীকার করি না। কিন্তু এটাও সত্য, ২০২৪ না হলে আজ আমি এখানে বক্তৃতা দিতে পারতাম না, বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না, সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। একইভাবে তারেক রহমানও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না।

সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিছু মন্ত্রী দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেন। সংসদের ভেতরেও বলেন, টকশোতেও বলেন। আমরা যখন এসব বিষয় সংসদে উত্থাপন করি, তখন বলা হয় এগুলো সংসদের বাইরের বিষয়। অথচ আমাদের আঘাত করতে গেলে আধা শতাব্দী আগের ঘটনাও টেনে আনা হয়।

একটি প্রবাদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিংড়ি মাছ লাফ দিলে পেছনের দিকে যায়। সামনে রাস্তা খুঁজে পায় না। জাতি যদি সবসময় পেছনের দিকেই তাকিয়ে থাকে, তাহলে সামনে এগোবে কীভাবে? আমরা সবসময় বলেছি, আসুন সামনে তাকাই। ২০২৪ এর যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়ন করি।

শফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের তরুণরা বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিল। তারা চেয়েছিল সবার অধিকার নিশ্চিত হোক, দুর্নীতি দূর হোক, চাঁদাবাজির কবল থেকে দেশ মুক্ত হোক, আদালতে মানুষ ন্যায়বিচার পাক। তারা ভিক্ষা চায়নি, তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আজ বড় বড় কথা শুনছি, কাজের বেলায় তার প্রতিফলন দেখছি না।

সংসদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আপনারা সংসদ দেখেন, কারণ আপনারা এটিকে মজলুম মানুষের সংসদ মনে করেন। সেখানে মজলুম মানুষের প্রতিনিধি জনগণের জন্য কী বলেন, তা জানার আগ্রহ আপনাদের আছে। জনগণই শেষ পর্যন্ত বিবেক দিয়ে সবকিছুর মূল্যায়ন করবেন।

জামায়াত আমির বলেন, সবচেয়ে বড় দাবি ছিল, ফ্যাসিবাদ যেন আর বাংলাদেশে ফিরে না আসে। এজন্য রাষ্ট্র সংস্কার প্রয়োজন ছিল। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রয়োজন ছিল। অতীতের পচা রাজনীতিকে বিদায় দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন ছিল। কেউ কেউ বলেছেন, গণভোট সংবিধানে নেই। আবার কেউ বলেছেন, চারটি প্রশ্ন এত জটিল ছিল যে বুঝতেই চার ঘণ্টা লাগে। তাহলে জনগণ কীভাবে ভোট দিল? আমি বলি, এই চারটি প্রশ্ন তো আগেই প্রচার করা হয়েছিল, সব গণমাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। তাহলে কি আপনারা বলতে চান, বুদ্ধি শুধু আপনাদের আছে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের নেই? এটা জাতিকে অপমান করার শামিল। আমি মূর্খ হতে পারি, কিন্তু আমার জাতি মূর্খ নয়।

তিনি বলেন, চারটি প্রশ্ন যদি মানুষ বুঝতে না পারে, তাহলে ৩১টি প্রশ্ন কীভাবে বুঝবে? এগুলো সব গোঁজামিল ও ভাওতাবাজি। ইতোমধ্যে একজন বলেছেন, ভোটটা হয়ে যাক, তাই সবকিছু আগে মেনে নিয়েছিলাম। আরেকজন বলেছেন, টোল মওকুফের কথা বলা হয়েছিল ভোট পাওয়ার জন্য। রাজনীতিবিদরা যদি এভাবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেন, তাহলে দেশের মানুষ যাবে কোথায়? যারা দেশ চালাবেন, আইন করবেন, তাদের ন্যূনতম নৈতিক মানদণ্ড থাকা উচিত।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে সবাই গণভোটের পক্ষে ছিলেন। জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ হ্যাঁ বলেছেন। এখন বলা হচ্ছে, ৫১ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে, তাই ৭০ শতাংশ গণরায় মানা হবে না। আমি জানতে চাই, ৫১ বড়, নাকি ৭০ বড়? ভোট কীভাবে পেয়েছেন, সেই বিতর্ক ইতিহাসে থেকেই যাবে। সাড়ে তিন ঘণ্টা ব্ল্যাকআউট করে কী করা হয়েছে, জনগণ তা জানে। সময়মতো ইতিহাস সবকিছুর বিচার করবে।

সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন আমাদেরও বলা হচ্ছে, আপনারাও আসুন, এই অগ্রাহ্যের মিছিলে শরিক হোন। সংসদে আমাদের সংবিধান শেখানো হয়। আমি জানতে চাই, সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে কোনো কমিটি সংবিধানের কোথাও আছে কি? যদি না থাকে, তাহলে এটি কেন? এটি জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, গণভোটকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেছি। জনগণের রায়কে অপমান করতে চাইলে করুন, জনগণই তার বিচার করবে। আমরা জনগণের সঙ্গে আছি, জনগণের রায়ের পক্ষে আছি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। আমাদের বিশ্বাস, ইনশাআল্লাহ ৭০ শতাংশ মানুষের গণরায় বৃথা যাবে না, তা বাস্তবায়িত হবেই।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেকেই প্রতিবেশী দেশ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। আমরাই একমাত্র দল, যাদের তারা পছন্দ করে না। তারা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলকে ভারতের মাটিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, শুধু জামায়াতে ইসলামীর জন্য লাল কার্ড। কিন্তু আমরা সেই লাল কার্ডের পরোয়া করি না। ভারতের মাটিতে আশ্রয় নেওয়ার চিন্তাও আমরা করি না। এই দেশই আমাদের দেশ। আমাদের আশ্রয়ের জায়গা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অন্তর।