ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেরাইদে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মাহফুজুর রহমান মাহফুজ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর বেরাইদ ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাষ্ট্রীয় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান মাহফুজ। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত বেরাইদ শ্মশানঘাটের সংস্কার ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এম এ কাইয়ুমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ এসব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের আয়োজক, সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তাঁদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি পূজার সার্বিক পরিবেশ, স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা এবং বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

এ সময় ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাঁদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয়ও তুলে ধরা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ বেরাইদ শ্মশানঘাটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই শ্মশানঘাটের সংস্কার ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে তিনি এবারও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই শ্মশানঘাটের উন্নয়ন হলে তাঁরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার মাধ্যমে শ্মশানঘাটটির সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

মাহফুজুর রহমান মাহফুজের এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে সব ধর্মের মানুষের পাশে থাকাই রাজনীতির অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ভোলাবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে দিপু ভূঁইয়া, নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত

বেরাইদে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মাহফুজুর রহমান মাহফুজ

প্রকাশ : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর বেরাইদ ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাষ্ট্রীয় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান মাহফুজ। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত বেরাইদ শ্মশানঘাটের সংস্কার ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এম এ কাইয়ুমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ এসব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের আয়োজক, সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তাঁদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি পূজার সার্বিক পরিবেশ, স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা এবং বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

এ সময় ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাঁদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয়ও তুলে ধরা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ বেরাইদ শ্মশানঘাটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই শ্মশানঘাটের সংস্কার ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে তিনি এবারও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই শ্মশানঘাটের উন্নয়ন হলে তাঁরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার মাধ্যমে শ্মশানঘাটটির সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

মাহফুজুর রহমান মাহফুজের এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে সব ধর্মের মানুষের পাশে থাকাই রাজনীতির অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।