অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-২০২৭ ওয়ার্ল্ড কাপ চ্যাম্পিয়নশিপের খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম উপলক্ষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ভবনে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় টুর্নামেন্টের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. গোলাম ফারুক খোকন।
সভায় বাফুফের নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান তরুণ ফুটবলারদের খুঁজে বের করা, তাদের দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে গোলাম ফারুক খোকন বলেন, ‘ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়; ফুটবল শৃঙ্খলা, ঐক্য, অধ্যবসায় ও নেতৃত্বের শিক্ষা দেয়। আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ প্রতিটি এলাকায় অনেক প্রতিভাবান তরুণ ফুটবলার রয়েছে। তাদের সঠিকভাবে খুঁজে বের করে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।’
তিনি বলেন, অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল টুর্নামেন্টের বাছাইপর্ব তরুণ খেলোয়াড়দের নিজেদের যোগ্যতা ও প্রতিভা প্রমাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, শৃঙ্খলা ও মাঠের পারফরম্যান্সকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে প্রকৃত প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।
তরুণ ফুটবলারদের উদ্দেশে গোলাম ফারুক খোকন বলেন, ‘তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে এবং কোচদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন হৃদয়ে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। জয়-পরাজয় খেলার অংশ, কিন্তু সততা, অধ্যবসায় ও খেলোয়াড়সুলভ মনোভাবই একজন প্রকৃত খেলোয়াড়ের পরিচয়।’
দেশের ফুটবলের উন্নয়নে বাফুফের নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা এবং প্রতিভা বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশের ফুটবলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে গোলাম ফারুক খোকন অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-২০২৭ ওয়ার্ল্ড কাপ চ্যাম্পিয়নশিপের সার্বিক সফলতা কামনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলাররা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রতিভাবান ফুটবলারদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।
প্রথম ভোর ডেস্ক,ঢাকা 

















