ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনূসকে হেনস্তা দেশের জন্য অপমানজনক: তাহের

সাবেক অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘হেনস্তা’র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।মঙ্গলবার দুপুরে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “বিশ্ববাসীর কাছে সম্মানীয় নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে হেনস্তা করার মধ্য দিয়ে দেশের সকল নাগরিক এবং রাষ্ট্র হিসেবে সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে অপমানিত ও খাটো করা হয়েছে।

“দেশের মান মর্যাদা বিশ্ব দরবারে সমুন্নত রাখতে বিদেশের মাটিতে দেশের সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে এহেন নিন্দনীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কারোর জন্যই সমীচীন নয়, যা ফ্যাসিস্টদের দোসররা করেছে। এ ধরনের আচরণ থেকে সবার বিরত থাকা উচিৎ।”

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মুহাম্মদ ইউনূসকে নিউ ইয়র্কে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সময় সোমবার বিকাল পৌনে ৪টায় নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইল চেয়ারে বের হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

সোশাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ কয়েকজন মুহম্মদ ইউনূসের সামনে দাঁড়িয়ে যান। তখন হুইল চেয়ার ঘুরিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসকে টার্মিনালের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

এসময় হেনস্তাকারীরা তার পিছে ছুটতে থাকেন; একজন চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ইউ কিলড থাউজ্যান্ড পিপল ইন বাংলাদেশ।… হি কিল্ড থাউজ্যান্ড অব পুলিশ ইন মাই কান্ট্রি। হি ডেস্ট্রয় দ্য ডেমোক্রেসি ইন মাই কান্ট্রি…।”

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা তাহের বলেন, “…আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের কিছু দোসর যে কদর্য ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করে হেনস্তা করেছেন তা অগ্রহণযোগ্য ও অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি তাকে হেনস্তা করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, “পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বিদেশের মাটিতে দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ও সফররত দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে।

“দেশের শান্তিপ্রিয় ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাদের সমস্ত ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও হাই কমিশনসমূহের কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ও সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ।”

ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইউনূসকে হেনস্তা দেশের জন্য অপমানজনক: তাহের

প্রকাশ : ০৫:২৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সাবেক অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘হেনস্তা’র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।মঙ্গলবার দুপুরে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “বিশ্ববাসীর কাছে সম্মানীয় নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে হেনস্তা করার মধ্য দিয়ে দেশের সকল নাগরিক এবং রাষ্ট্র হিসেবে সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে অপমানিত ও খাটো করা হয়েছে।

“দেশের মান মর্যাদা বিশ্ব দরবারে সমুন্নত রাখতে বিদেশের মাটিতে দেশের সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে এহেন নিন্দনীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কারোর জন্যই সমীচীন নয়, যা ফ্যাসিস্টদের দোসররা করেছে। এ ধরনের আচরণ থেকে সবার বিরত থাকা উচিৎ।”

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মুহাম্মদ ইউনূসকে নিউ ইয়র্কে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সময় সোমবার বিকাল পৌনে ৪টায় নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইল চেয়ারে বের হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

সোশাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ কয়েকজন মুহম্মদ ইউনূসের সামনে দাঁড়িয়ে যান। তখন হুইল চেয়ার ঘুরিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসকে টার্মিনালের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

এসময় হেনস্তাকারীরা তার পিছে ছুটতে থাকেন; একজন চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ইউ কিলড থাউজ্যান্ড পিপল ইন বাংলাদেশ।… হি কিল্ড থাউজ্যান্ড অব পুলিশ ইন মাই কান্ট্রি। হি ডেস্ট্রয় দ্য ডেমোক্রেসি ইন মাই কান্ট্রি…।”

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা তাহের বলেন, “…আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের কিছু দোসর যে কদর্য ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করে হেনস্তা করেছেন তা অগ্রহণযোগ্য ও অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি তাকে হেনস্তা করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, “পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বিদেশের মাটিতে দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ও সফররত দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে।

“দেশের শান্তিপ্রিয় ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাদের সমস্ত ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও হাই কমিশনসমূহের কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ও সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ।”